পাতা:আত্মচরিত (সিগনেট প্রেস) - শিবনাথ শাস্ত্রী.pdf/১৮৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


আমার জন্য তত ব্যয় করা কািন্টকর হইবে বলিয়া অন্যভব করিলাম; সে ভার তাঁহাদের উপর দিবার ইচ্ছা হইল না। জিজ্ঞাসা করিয়া জানিলাম যে পাহাড়ে চড়িবার জন্য ঘোড়া পাওয়া যায়। জীবনে ঘোড়া কখনো চড়ি নাই। বালককালে সমবয়স্ক সঙ্গী বালকদের সঙ্গে জটিয়া কখনো কখনো ষাঁড় চড়িতাম বটে, এবং একবার পড়িয়া গিয়া ব্যথা পাইয়াছিলাম, ইহা বোধ হয়। অগ্ৰে বলিয়া থাকিব; কিন্তু ঘোড়া চড়া কখনো ভাগ্যে ঘটে নাই। কিন্তু কি করা যায় ? ১লা বৈশাখের পীবে দাজিলিং পাহছিতেই হইবে। দেখিলাম, ইউনিটেরিয়ান মিশনারী ড্যাল সাহেব টােঙ্গার জন্য ডাক বাঙ্গলাতে অপেক্ষা করিতেছেন, কারণ তখন টোঙ্গা আবার রোজ চলিত না। আমার পয়সাও ছিল না এবং অপেক্ষা করিবার সময়ও ছিল না, সতরাং ঘোড়াতেই যাইতে প্রস্তুত হইলাম। একদিন প্রাতে আনন্দবাবা এক পাহাড়ে-ঘোড়া আনাইয়া আমাকে ঘোড়ায় চড়াইয়া দিলেন। আমি তো হেলিয়া দলিয়া অগ্রসর হইলাম। ‘শকােনা” পার হইতে না হইতে পাহাড়ে উঠিবার সময় সহিস আমাকে বলিল, ঘোড়াটা মাদী ঘোড়া এবং গাভিনা। শনিয়া আমার মনটা বড় খারাপ হইয়া গেল, আমি ঘোড়া হইতে নামিয়া সহিসের হাতে লাগাম দিয়া পদব্রজেই পাহাড়ে উঠিতে লাগিলাম। যাহাকে পাহাড়ে সর্ট কাট (সোজা পথ) বলে, সেই সকল সোজা রাস্তা দিয়া উঠিতে লাগিলাম। তাহাতে পথ সোজা হয় বটে, কিন্তু বড় চড়াই উঠিতে হয়, বকে পিঠে বেদনা লাগে। কি করা যায়, উপায়ান্তর না দেখিয়া মরিয়া কুটিয়া উঠিতে লাগিলাম। এইরপে, যে খাসিয়াঙ্গে ঘোড়ায় চড়িয়া আমাদের অপরাহু দইটা কি তিনটার সময় পৌছিবার কথা, সেখানে রাত্রি ৮টার সময় গিয়া পৌছিলাম। তখন বাডি কোম্পানী নামে এই পাহাড়ে এক কোম্পানী ছিল। তাঁহারা মালপত্র বহিয়া দিতেন। প্রিয়নাথ বস নামে একটি বাব খাসিয়াঙ্গে তাঁহাদের কায কারক ছিলেন। পরবর্তকৃত বন্দোবস্ত অনসারে আমি গিয়া তাঁহার গহে আশ্রয় লইলাম। তৎপরদিন আমার দাজিলিং পৌছিতেই হইবে। নতুবা শরীর যেরপ ক্লান্ত হইয়াছিল, তাহাতে দই দিন বিশ্রাম করিলে ভালো হইত। প্রিয়নাথবাবা বলিলেন, তিনি পরদিন প্রাতে অশবারোহণে দাজিলিং যাইবেন, আমার জন্যও একটি ঘোড়া BBBBD SDDDD BBBD BB BBD S DD BDBD D DDBBDS DB BDSDD সঙ্গে থাকিবেন। তৎপরদিন প্রাতে উঠিয়া দেখি, আমার জন্য গোলগাল এক পাহাড়ে টাটা আসিয়াছে, এবং তাঁহার জন্য বাডী কোম্পানীর আস্তাবলের এক দীঘকায় সন্দর শেবতবর্ণ ঘোড়া সাজিয়া অপেক্ষা করিতেছে। আমার ঘোড়া দেখিয়া আমি হাসিয়া বলিলাম, “প্রিয়বাব, এ কি করেছেন ? এ যে বেশ জোরাল ঘোড়া! আমার BDBD BBD BBB BBB BDD BD DBDDDBD DBD BBDB S DD DDBD DDBBDS “উঠন, উঠন, আমি সঙ্গেই আছি।” আমরা তো বাহির হইলাম। আমি আগে, প্রিয়বাবা পশ্চাতে। ঘোড়াদের মধ্যে যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা আছে তাহা অগ্ৰে জানিতাম না। যেই প্ৰিয়বাবার ঘোড়ার পায়ের শব্দ শোনা, অমনি আমার ঘোড়া উধাবশবাসে দৌড়িল । আমি কখনো ঘোড়া চড়ি নাই, সতরাং এরপ অবস্থাতে কখনো পড়ি নাই। আমি দই পা দিয়া ঘোড়ার পেট চাপিয়া ধরিয়া, দই হাত দিয়া তাহার ঘাড়ের ঝটি ধরিয়া তাহাকে জড়াইয়া ধরিয়া রহিলাম। ঘোড়াও বোধ হয়। এরপ অবস্থাতে কখনো পড়ে নাই। সে বোধ হয় মনে করিল, এ কি জন্তু আমার উপরে উঠিল। কারণ সে আরও উধৰ্ব্বশবাসে দৌড়িতে লাগিল। প্রিয়ানাথবাবা পশ্চাৎ হইতে চেচাইতে লাগিলেন, “মশাই, থামান, থামন! গেলেন, গেলেন!! এখনি খাদের মধ্যে পড়ে যাবেন।” আমি NS ANS.