পাতা:আত্মচরিত (সিগনেট প্রেস) - শিবনাথ শাস্ত্রী.pdf/১৯৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ৰাঙ্গালোর। এই যাত্রাতে আমি মহীশর রাজান্তর্গত বাঙ্গালোর শহরেও যাই । সেখানে সেনা দলের মধ্যে এক ‘রেজিমেণ্টাল ব্রাহামসমাজ” ছিল। এক সবাদার সেই সমাজের প্রধান উৎসাহী সভ্য ছিলেন, এবং গোপাল স্বামী আয়ার নামে এক ব্ৰাহমণ যািবক ঐ সমাজের আচায্যের কায করিতেন। সমাজের কায্যের জন্য উক্ত সবাদার একটি বাড়ি দিয়াছিলেন; তাহতে একটি বালিকা বিদ্যালয় হইত, এবং সমাজের কাজও হইত। আমি গিয়া সেই বাড়িতে থাকি,তাম, এবং গোপালসবোমী আয়ারের বাড়িতে আহার কারিতাম। আমার যাওয়াতে বাঙ্গালোরে মহা আন্দোলন উপস্থিত হইল। আমার বক্তৃতা শনিতে লোকােরণ্য হইতে লাগিল। একটি বস্তৃতাতে মূহীশরের সম্প্রসিদ্ধ দেওয়ান রঙ্গাচাল মহাশয় সভাপতির আসন গ্রহণ করিলেন। ব্রাহণ কন্যা কমলা আমার প্রেম। বাঙ্গালোর অবস্থিতি কালে এক ঘটনা ঘটিল, যাহা চিরদিন সমিতিতে মাদ্রিত রহিয়াছে। একদিন এক সন্থানীয় পরিবার তাঁহাদের বাড়িতে গিয়া ঈশবিরের নাম করিতে অনরোধ করিলেন। গিয়া শনি, গহসােবামিনী এক ব্রাহণ কন্যা; তিনি বিধবা হইয়া পিতৃগহে থাকিবার সময় এক শদ্রের সহিত প্ৰণয় পাশে বন্ধ হন, এবং পিতৃগহ ত্যাগ করিয়া তাহার অন্যগামিনী হন। সেই অবস্থাতে একটি কন্যা জন্মিয়াছে। আমি যখন দেখিলাম, তখন কন্যাটির বয়স ১৬। ১৭ বৎসর হইবে। পিতার মাতু্য হইলে কন্যাটি স্বীয় মাতার সহিত ব্ৰাহমসমাজের একজন প্রাচীন সভোর তত্ত্বাবধানে থাকে। সেই অবস্থাতে আশ্রয়দাতারা মেয়েটিকে ইংরাজী ও সংস্কৃত শিখাইয়াছেন। আমি মেয়েটিকে উভয় ভাষাতে পরীক্ষা করিয়া সন্তুষ্ট হইলাম। তাহার জননী তাহাকে আমার সঙ্গে কলিকাতায় আনিয়া তাহার বিবাহ দিবার জন্য অনেক অনরোধ করিলেন, কিন্তু তখনো আমাকে অনেক স্থানে যাইতে হইবে বলিয়া ग्ठाभि ऊाश कड़िाऊ *ाद्धिकाभ ना। কয়েক বৎসর পরে বাঙ্গালোরে আবার গিয়া মেয়েটির বিষয়ে অন্যাসন্ধান করিতে প্রবত্ত হইলে লোকে বলিল যে, তাহার মা'র মতু্য হইয়াছে, এবং মেয়েটি খারাপ হইয়া গিয়াছে। শনিয়া বড় দঃখ হইল। মনে করিলাম, কেন মেয়েটিকে সঙ্গে করিয়া আনি নাই, তাহা হইলে তো তাহাকে পাপ হইতে মন্ত রাখিতে পারিতাম। এই সংবাদে তাহার অন্যাসন্ধান ত্যাগ করিয়া রহিয়াছি, এমন সময়ে একদিন সমাগত ভদ্রলোকদিগের সহিত কথোপকথন করিতেছি, তখন ভূত্য আসিয়া সংবাদ দিল যে, “একটি ভদ্রলোকের মেয়ে আপনার সহিত দেখা করিতে চাহিতেছে।” পাশেবর ঘরে গিয়া দেখি কমলামা অর্থাৎ কমলিনী উপস্থিত। তখন ২২।। ২৩ বছরের মেয়ে। আমাকে দেখিবামাত্র সে আমার পায়ে কতকগলি ফােল রাখিয়া আমার পায়ে পড়িয়া প্ৰণিপাত করিল, এবং আপনার পতি বলিয়া একজন শব্দ্র জাতীয় ভদ্রলোককে আমার সাহিত পরিচয় করিয়া দিল । ক্ৰমে শনিলাম, তাহার জননীর শেষাবস্থাতে ঐ শব্দ্র জাতীয় ভদ্রলোকের সহিত তাহার বিবাহ হইয়াছে। তাহার মাতার অভিভাবক সেই প্রাচীন ব্রাহাম ভদ্রলোকটি সে বিবাহ দিয়াছিলেন। ঐ বিবাহ অতি গোপনে হইয়াছিল বলিয়া লোকে জানে না। এই বিবাহের জন্য তাহার পতিকে স্বীয় সমাজে জাতিচু্যত হইতে হইয়াছে, ইত্যাদি। শনিয়া আনন্দিত হইলাম। এই বিষয়টি নািতন ধরনের বলিয়া সমরণ আছে। ইহার পরে আর তাহার সঙ্গে দেখা হয় নাই। పాపా