পাতা:আত্মচরিত (সিগনেট প্রেস) - শিবনাথ শাস্ত্রী.pdf/১৯৪

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


BBBD DBB BSB SDD BDB DB DBBD DBLDB BBD DDDBBDD DDD DDD কিন্তু সেপ্টেম্বর মাসে পনরায় মালদ্ৰাজ হইতে ঘন-ঘন টেলিগ্রাম আসিতে লাগিলআসন, আসন, আসিতেই হইবে। ব্যাপারখানা এই। নববিধানের প্রচারক আমতলাল বস মহাশয় তখন মান্দাজ প্রদেশের নানা পন্থানে ভ্ৰমণ করিয়া মালদ্ৰাজে আসিয়াছিলেন। অমনি আমাদের বাচিয়া পাণ্টল ভায়া ভয় পাইয়া ঘন-ঘন পত্র লিখিতে ও টেলিগ্রাম করিতে আরম্ভ করিলেন, তিনি যে কাজ গড়িয়া তুলিতেছিলেন তাহা BBDD DDD DDD S LBB BBB DBBB DuuD DBD BD DDD BBuB DBBBD DBBD কমিটি আমাকে পাঠাইলেন। গিয়া কায আরম্ভ করিলাম। অমতবাবার সঙ্গে আমার বহ দিনের আত্মীয়তা, সতরাং বাড়িতে তাঁহার সঙ্গে বন্ধভাবে মিশিতাম; কিন্তু প্রকাশ্য ভাবে নববিধান ও সাধারণ ব্রাহামসমাজের বিরোধ চলিল। এই সময়ে আমি ‘দি নিউ ডিপেনসেশান এ্যান্ড দি সাধারণ ব্ৰাহমসমাজ” নামে ইংরাজী পােস্তক রচনা করি। তাহা মান্দ্ৰাজ হইতে মাদ্রিত ও প্রচারিত হইল। দ্বিতীয়বার মালদ্ৰাজে গেলে মান্দ্রাজবাসী ব্রাহাম বন্ধগণ তাঁহাদের সমাজের সম্পাদক মহাশয়ের বাড়ির সন্নিকটে একটি বাড়ি ভাড়া লইয়া তাহাতে আমাকে স্থাপন করিয়াছিলেন। আমি তাঁহার ভবনে দাই বেলা আহার কারিতাম, তাঁহার পত্নী ভগিনীর ন্যায় রন্ধন করিয়া আমার নিকট বসিয়া খাওয়াইতেন। আমি সমস্ত দিন পাঠ চিন্তা ও গ্রন্থ রচনাদিতে যাপন করিতাম, বৈকালে সমদ্র তীরে ভ্ৰমণ করিতে যাইতাম । দতিক্ষের অনাথ শিশ। একদিন আমি একজন ব্ৰাহম বন্ধর সহিত বৈকালে বেড়াইতে বাহির হইয়াছি; পথে যাইতে যাইতে দেখিলাম, একজন প্রাপতবয়স্ক লোক একটি অল্পবয়স্ক শিশকে ভয়ানক প্রহার করিতেছে। শিশটি অসহায় হইয়া চীৎকার করিয়া কাঁদিতেছে। তাহার। চীৎকার শনিয়া আমি দাঁড়াইয়া গেলাম। মনে করিলাম সে ব্যক্তি শিশটির পিতা, কোনো অপরাধের জন্য বঝি শাসন করিতেছে। দাঁড়াইয়া সঙ্গের একজন ব্ৰাহম বন্ধকে জিজ্ঞাসা করিলাম, “ও কি ওর পিতা ? এত মারিতেছে কেন ?” তিনি বলিলেন, “ও ব্যক্তি ওর পিতা নয়, ওর কেহই নয়; ওই ছেলেটি পিতৃমাতৃহীন। ওর মাথা রাখিবার সােথান নাই; রাত্রে ভদ্রলোকের বাড়ির দরজায় বারাঙ্গদায় পড়িয়া ঘামায়। পেটের ভাত জোটে না; লোকের বাড়ি ভিক্ষা করিয়া খায়। ঐ মানষটা ঐ ছেলেটার সঙ্গে এই বন্দোবস্ত করিয়াছিল যে, ছেলেটা শহরের গহস্থদের দরজা হইতে কয়লা কুড়াইয়া আনিয়া দিবে। মানষটা দ-চার-দশ-দিন অন্তর হয়তো একটা পয়সা দিবে। মার খাবার ভয়ে ছেলেটা কয়লা আনে। আজ কয়লা আনে নাই বলিয়া মারা খাইতেছে।” অন্যসন্ধানে জানিলাম, কয়েক বৎসর পাবে মালদ্রাজ প্রদেশে যে দভিক্ষ হইয়াছিল, তখন বহসংখ্যক শিশ, পিতৃমাতৃহীন হয়। ইহাদের অনেকগলিকে খন্টিয়ান মিশনারীগণ সংগ্ৰহ করিয়া আপনাদের অনাথাশ্রমে আশ্রয় দিয়াছেন, কিন্তু বহসংখ্যক শিশ্য নিরাশ্রয় অবস্থাতে বাস করিতেছে। আমি অনেকদিন প্রাতে এইরপ বালকবালিকাদিগকে ভদ্রলোকের দাবারের সন্মখস্থ বারান্দাতে পড়িয়া ঘামাইতে দেখিয়াছি। এই দশ্য দেখিয়া ও এই বিবরণ শনিয়া আমার মনটা বড় খারাপ হইয়া গেল। সেই খারাপ মন লইয়া বাসায় ফিরিলাম । পরদিন প্রাতে ব্ৰাহম বন্ধগণ দেখা করিতে আসিলে তাঁহাদিগকে বলিলাম, “হয় এইরুপ পিতৃমাতৃহীন বালকবালিকার রক্ষা ও শিক্ষার জন্য কিছল করন, নতুবা সমাজ SSO