পাতা:আত্মচরিত (সিগনেট প্রেস) - শিবনাথ শাস্ত্রী.pdf/২০৯

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


কােল আমার মািখ দেখেন নাই, আমার জীবন সংশয় কালেও দেখেন নাই। প্রথমপ্রথম আমার উপাজিত সিকি পয়সা লইতে চাহিতেন না। আমি আমার পিসতুতো বড় ভাইয়ের হাত দিয়া শীতকালে কম্বল প্রভৃতি দিতাম। তিনি কৌশলে তাহা বাবার হাতে দিয়া দাম লইতেন, এবং সেই মাল্য গোপনে আমার মায়ের হাতে দিতেন। আমি যখন ভবানীপরে সাউথ সবাবান স্কুলে কম করি, তখন আমার মধ্যম ভগিনীর বিবাহ হয়। সে সময়ে আমি বিবাহ ব্যয়ের সাহায্যাৰ্থ গোপনে মায়ের হাতে কিছ টাকা দিয়াছিলাম। পরে শানিলাম যে, বাবা তাহা জানিতে পারিয়া এতই ক্লদ্ধ হইয়াছিলেন যে ঘরের চালে আগন দিয়াছিলেন, পাড়ার লোকে আসিয়া নিবাইয়াছিল। তৎপরে এই ক্লািন্ধ ভাব ক্ৰমে চলিয়া গিয়াছিল। তখন আমি মায়ের হাতে প্রত্যেক মাসে দশটােকা করিয়া দিতেছি জানিয়া ব্রুদ্ধ হইতেন না; কিন্তু সে অর্থ তিনি সম্পর্শ করিতেন না, তাহা মায়েরই থাকিত। . এইরপ চলিতেছিল, মধ্যে বাবা কম হইতে অবসতি হইয়া সঙ্কলপ করিলেন, দেশভূমি পরিত্যাগ করিয়া কাশীবাসী হইবেন, যেন আর অধম পাত্রের মািখ দশন করিতে না হয়। বাবা-মা কাশীতে বসিবার পাবে গয়া বান্দাবন প্রভৃতি তীৰ্থ দৰ্শন করিতে বাহির হইলেন। তখন আমি তাঁহাদের তীৰ্থ ভ্রমণের ব্যয়ের জন্য অর্থ সাহায্য করিলাম, বাবা দয়া করিয়া তাহা গ্রহণ করিলেন ; আমি আপনাকে কৃতাৰ্থ মনে করিলাম। ক্ৰমে তাঁহারা কাশীধামে আসিয়া বাস করিলেন। সেখানে বাবার মান সম্পন্দ্ৰম হইল। তাঁহার পেনসনের টাকাতে ও আমার সামান্য সাহায্যে তাঁহারা সখে বাস করিতে লাগিলেন। আমি আমার ভগিনী ঠাকুরদাসীকে পৈতৃক ভিটাতে সম্প্ৰথাপন করিয়া এক প্রকার নিশিচন্ত মনে বাস করিতে লাগিলাম। দিন এই প্রকার চলিতেছে, এমন সময়ে ১৮৮৮ সালের ১২ই ফেব্রুয়ারি রবিবার আমি ব্ৰাহমসমাজের বেদী হইতে নামিয়াছি, এমন সময় কাশী হইতে আমার একজন ডাক্তার বন্ধর নিকট হইতে তারে সংবাদ পাইলাম যে, পিতাঠাকুরমহাশয় গরােতর পীড়িত, আমাকে অবিলম্বে যাত্ৰা করিতে হইবে। আমি তৎক্ষণাৎ প্রস্তুত হইয়া আমার দিবতীয়া পত্নী বিরাজমোহিনীকে সঙ্গে লইয়া তৎপরবতী ট্রেনে কাশী যাত্রা করিলাম। পরদিন দপারবেলা কাশীতে পৌছিয়া পথে সেই ডাক্তার বন্ধর বাড়িতে গিয়া শনি, বাবা ওলাউঠা রোগে আক্রান্ত, নাড়ী নাই। আমি ডাক্তার সঙ্গে করিয়া বাবার বাসাতে গিয়া উপস্থিত হইলাম। তাঁহার নাড়ী নাই, তাহার উপর হিক্কা হইয়াছে, সকলে মহা উদিবগন। এই অবস্থাতে আমি গিয়া যখন নিকটে দাঁড়াইলাম, তখন বাবা আঠারো বৎসরের পর প্রথম আমার মাখের দিকে চাহিলেন, কিন্তু আমাকে দেখিয়া মািখ ফিরাইলেন। বিরাজমোহিনীকে তিনি বড় ভালোবাসিতেন, বিরাজমোহিনী যখন তাঁহার পদধলি লইয়া তাঁহার শয্যাপাশে বা বসিলেন, তখন বাবা তাঁহার মাখের দিকে চাহিয়া কাঁদিতে লাগিলেন। আমি ডাক্তার বন্ধকে বাবাকে দেখিয়া পাশেবার ঘরে আসিবার জন্য অনরোধ করিয়া সেই ঘরে গেলাম। তিনি আসিয়া বলিলেন যে, নাড়ী আবার পাওয়া যাইতেছে। আমি জগদীশবরকে ধন্যবাদ করিলাম। ইহার পরে আমি আমার জননীর দাবারা বাবাকে আমার সঙ্গে কথা কহিবার জন্য অন্যুরোধ করিতে লাগিলাম। বলিলাম, “আমাকে রোগের বিষয়ে বিশেষ বিবরণ DD DDDBDB DBDD BB BDBBB BBBD DB S DBDDB BBDBBD DDDDDD DBDS DD DBDBB BDD BD BB S BBDBDDD DBB DBDDB g DDBDD SRO dit