পাতা:আত্মচরিত (সিগনেট প্রেস) - শিবনাথ শাস্ত্রী.pdf/২২৭

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


মতি রাখ,” “যীশর চরণে প্রার্থনা কর, তিনি তোমাদিগকে বল দিবেন,” ইত্যাদি, ইত্যাদি। সমাদয় প্রাচীর যীশর গণগানে পরিপািণ, ঈশবিরের নাম কোথাও নাই।' দেখিয়া আমি কিছ বিষম হইয়া গেলাম। আমার বিষন্ন মািখ দেখিয়া ব্রামওয়েল বাথ জিজ্ঞাসা করিলেন, “আপনাকে বিষন্ন দেখিতেছি কেন ?” আমি বলিলাম, “কেবল যীশ-যীশ দেখিতেছি, ঈশবিরের নাম কোথাও নাই, সেই জন্য আমার দঃখ হইতেছে; আপনারা যীশরীপে পদা দিয়া একেবারে ঈশবরকে ঢাকিয়া ফেলিয়াছেন।” ব্রামওয়েল বথ হাসিয়া বলিলেন, “আপনি কি জানেন না, যীশই আমাদের ঈশবর ? যীশ ঈশবিরের অপর নাম মাত্র।” আমি ভাবিতে লাগিলাম, অবতারবাদে ভক্তবৎসল৷ ভগবানের সবরপকে কি চাপা দিয়াই ফেলিয়াছে! এই ভাবিতে ভাবিতে ঘরে প্রতিনিবত্ত হইলাম। ইংলন্ডে শিক্ষার ব্যবস্থা। কিন্ডারগার্টেন স্কুল। ইংলন্ডের শিক্ষাপ্রণালী দেখিবার জন্য কিন্ডারগার্টেন স্কুল, বোড স্কুল, ‘আপার মিডল ক্লাস’ স্কুল প্রভৃতি পরিদর্শন করিয়াছিলাম। কিন্ডারগার্টেন স্কুলের শিক্ষাপ্রণালী দেখিয়া চমৎকৃত হইয়া গেলাম। শিশদিগকে হাতে কলমে শিক্ষা দিবার যে এত প্রকার উপায় উদ্ভাবন হইতে পারে, তাহা অগ্ৰে জানিতাম না। তাহাদিগকে খেলার ভিতর দিয়া নানা প্রকার জ্ঞাতব্য বিষয় শিক্ষা দেওয়া হইতেছে। তাহারা মাটি দিয়া ছোটখাট বাড়ি গড়িতেছে, নানা রঙের কাগজ দিয়া অন্য প্রকার পদাৰ্থ নিমাণ করিতেছে। শিক্ষয়িত্রীরা আমাকে লইয়া সকল বিভাগ দেখাইলেন। অবশেষে একজন শিক্ষয়িত্রী যখন শিশদিগের সহিত করতালি দিয়া নাচিতে-নাচিতে ঘরে ঘরিয়া আসিতে লাগিলেন, তখন বিস্ময় ও আনন্দে পােণ হইয়া দেখিতে লাগিলাম। শিশদের এই শিক্ষাপ্রণালী আমার এত ভালো লাগিয়াছিল যে, আমি আসিবার সময় কিন্ডারগাটেনের প্রতিস্ঠাতা ফ্লোবেলের জীবনচরিত ও উক্ত শিক্ষাপ্রণালীর কয়েকখানি গ্রন্থ কিনিয়া আনিলাম । তাহা আমি পরে ব্রাহীম বালিকা শিক্ষালয়ের পস্তকালয়ে উপহার দিয়াছি। বোড স্কুল। বোড স্কুলের শিক্ষাপ্রণালীও বড় চমৎকার বোধ হইল। বিশেষত বালকগণ মানসাঙ্কে ষেরপ অদ্ভুত পারদর্শিতা দেখাইল, তাহা কখনো ভুলিবাের নয়। শিক্ষক দাঁড়াইয়া বলিলেন, “এততে এত যোগ কর, তাহা হইতে এত বিয়োগ কর, তাহার ফলকে এত দিয়া গণ কর, তাহার ফলকে এত দিয়া ভাগ কর, ইত্যাদি, ইত্যাদি। —কি ফল দাঁড়াইল, বল। যে ছেলে ঠিক করেছে সে হাত তুলাক।” যেই বলা, BDD BB uBDBBDB BB BDDDS BBB BDBDD DDD DDD "আপার মিডল ক্লাস’ স্কুল। আপার মিডল ক্লাস স্কুলে গিয়া দেখি, ভূগোল ও ভূতত্ত্ব বিদ্যাতে বালকদের অদ্ভুত পারদর্শিতা। সমগ্র পথিবীর পাণ্ডখােন পাওখ বিবরণ যেন তাহাদের নখের আগায় রহিয়াছে। তাহার পর সেখানে আর এক ব্যাপার দেখিলাম। এক এক শ্রেণীতে ২৫ ৷৷ ৩o জন ছাত্রের বেশি হইবে না, কিন্তু একই সময়ে দইজন শিক্ষক কায করিতেছেন। ৰালিকাদিগের বাের্ডিং স্কুল। কেবলমাত্র বালকদিগের স্কুল দেখিয়া ক্ষান্ত হই নাই। একটি বালিকাদিগের বোডিং স্কুলও দেখিতে গিয়াছিলাম। কি শঙ্খলা, কি পরিস্কার RRO