পাতা:আত্মচরিত (সিগনেট প্রেস) - শিবনাথ শাস্ত্রী.pdf/২৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


করে বকো, তেমনি করে অত বড় লোকটাকে বকলে ?” মা বলিলেন, “রেখে দে তোর : বড় লোক, বড় লোকের মাখে ছাই!” সেদিনকার সে দশ্য আমি জন্মে ভুলিব না। BDB BBDuDD D BBDDD BBDBDD gB BDuDD দাঙ্গানের - গণে আপনাকে রক্ষা করিয়া চলিতে লাগিলেন। বাবা গ্রীষ্মের ছটি ও পাজার : আমার মা আমাতে কিছর অন্যায় দেখিলে রাগ করিতেন এবং সাজা দিতেন বটে, কিন্তু আমার প্রতি তাঁহার কি প্রকার স্নেহ ছিল, তাহার বর্ণনা হয় না। একবারকার একটা ঘটনা মনে আছে। তখন আমার বয়স চারি-পাঁচ বৎসরের অধিক হইবে না। সেই সময়ে একবার আমার গারতের পীড়া হইয়াছিল। সেই পীড়ার অবস্থাতে মা ইস্টদেবতার চরণে প্ৰণত হইয়া প্ৰতিজ্ঞা করিলেন যে, তাঁহার কৃপায় ছেলে যদি সারিয়া যায়, তাহা হইলে তিনি হাতে মাথাতে ধনা পোড়াইবেন, এবং নিজের বক চিরিয়া রক্ত দিয়া দেবতার স্তব লিখিয়া দিবেন। কয়েক দিনের পর আমি সারিয়া উঠিলাম। যেদিন ব্ৰত উদযাপনের দিন আসিল, সেদিন পাড়ার একটি মেয়ে আমাকে । কোলে করিয়া মায়ের ব্ৰত উদযাপন দেখিবার জন্য ঠাকুর ঘরে লইয়া গেলেন। গিয়া দেখি, মা স্নান করিয়া আসিয়া দই হাঁটার উপর দই হাত দিয়া যোগাসনে বসিয়াছেন। পজেরি ব্রাহমণ তাঁহার দই হাতে ও মাথার উপরে কাদার তাল দিয়া তদপেরি জবলন্ত আগনের সারা বসাইয়াছেন এবং মন্ত্র পড়িতে পড়িতে সেই আগানে ধনার গড়া নিক্ষেপ করিতেছেন, আগন্ন দপ দপ করিয়া জীবলিতেছে। দেখিয়া আমার বড় ভয় হইল। মনে হইল আমার মাকে পোড়াইতে যাইতেছে। যাঁহার কোলে ছিলাম, ভয়ে তাঁহার কাঁধে মািখ লকাইলাম। তাহার পর যখন একখানা ছারির বা নরনের অগ্রভাগ দিয়া মা’র বক চিরিলেন এবং একটা ঝিনকে রক্ত ধরিয়া এক ভুজপত্রে দরগাের সস্তব লিখিতে লাগিলেন, তখন আর আমাকে সে ঘরে রাখিতে পারিল না। আমি মেয়েটির কোলে মাথা লাকাইয়া কাঁদিতে লাগিলাম, আমাকে বাহিরে লইয়া গেল। কিয়াৎক্ষণ পরে মা আসিয়া আমাকে কোলে লইলেন ও নানা মিন্ট সম্বোধনে কান্না থামাইবার চেন্টা করিতে লাগিলেন। আমার বয়স তখন চারি পাঁচ বৎসরের অধিক হইবে না। আমার মায়ের উনিশ বৎসর বয়সের সময় আমি হইয়াছি, সতরাং মায়ের বয়স তখন ২৩ কি ২৪ বৎসরের অধিক নয়। ২৪ বৎসরের, বালিকার ঐ মানতের কথা যখন সমরণ করি, তখন বিস্ময়াবিদ্ট হইয়া মনে ভাবি, এই ধমনিষ্ঠা আমার চরিত্রে কৈ ? শৈশবে ঠাকুরের নিবেদিত অন্নে অরচি। এ সময়কার একটা অদভুত কথা আছে। অননুমান চারি-পাঁচ বৎসর বয়সের সময় আমি কোনো মতেই ঠাকুরদের নিবেদিত অন্ন আহার করিতে চাহিতাম না। ব্রাহীমণ পন্ডিতের বাটীতে এটা একটা ভয়ানক কথা। কে যে আমার মাথাতে এ সঙ্কল্প ঢাকাইয়া দিয়াছিল, তাহা বলিতে পারি না। কিন্তু বেশ মনে আছে যে প্রায় প্রতিদিন আমার ভাত খাওয়া লইয়া একটা মহাবিভ্ৰাট উপস্থিত হইত। আমাদের বাড়িতে শালগ্রাম শিব পঞ্চানন প্রভৃতি অনেক পৈতৃক SR 9