পাতা:আত্মচরিত (সিগনেট প্রেস) - শিবনাথ শাস্ত্রী.pdf/২৪৬

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


দিনে হাজার-হাজার লোক লন্ডন শহর হইতে রেল যোগে বাহির হইয়া যাইত। শহরের বাহিরে কোনো মাঠে বা বনে আমোদ আহাদে দিনটা অতিবাহিত করাই উদ্দেশ্য। ফিরিবার সময় রেলগাড়ি হইতে নামিয়া একজন লোক যদি একটা ছোট পিয়ানোতে নাচের বাদ্য বাজাইল, অমনি দলে-দলে পরিষ ও নারী কোমরে কোমরে বাঁধাবধি করিয়া রেলওয়ে পলাটফরমে নাচিতে আরম্ভ করিল! যেন আমোদ প্ৰাণে ধরিয়া রাখিতে পারে না । ইটালিয়ান ব্যান্ড নামে এক প্রকার বাদ্য যন্ত্ৰ লইয়া লোকে আবারে-আবারে বাজাইয়া পয়সা উপাজন করে। কোনো সস্থানে সেই বাদ্য বাজিতেছে, দাইটি নিম্পন্ন শ্রেণীর ১৭। ১৮ বৎসরের বালিকা কিছ কিনিতে বাজারে যাইতেছে ; যেই বাদ্য শোনা, অমনি কোমরে জড়ােজড়ি করিয়া রাস্তার উপরে নাচ’! ইংরাজ জাতিতে সামাজিক সখি ভোগের প্রবত্তি এইরােপ প্রবল, কিন্তু তাহা বলিয়া লঘচিত্ততা নাই। ন্যায়ান্যায়ের বিচার যখন আসে, রাজনীতি বা সামাজিক নীতির উৎকর্ষ বিধানের প্রস্তাব যখন উপস্থিত হয়, তখন ইংরাজ। আপাদমস্তক ঐকান্তিকতায় পরিপণ! সত্যের জয় হইবেই হইবে, অধম হেয় ও ধম শ্রেয়, ইহা তাহদের অস্থিমজাজ-মাংস-মিস্তিলেক যেন বসিয়া আছে। আমি ব্রাডািল’র দলের নাস্তিকদের সভাতেও উপস্থিত থাকিয়া দেখিয়াছি; তাঁহাদের কথার ভাবভঙ্গী ও মত প্রকাশের ঐকান্তিকতা দেখিয়া মনে হয় যে, তাঁহাদের মতে তাঁহাদের পথাবলম্বী না হইলে ইংলন্ডের রক্ষা নাই এবং সেই পন্থাবলম্বী হইতেই হইবে। এই সব দেখিতাম, আর মনে মনে এই কথা জাগিত যে ইংরাজ জাতি সত্যানরাগী ও ধমানরাগী জাতি। আমি ইংলণড পরিত্যাগ করিবার প্রাক্কালে এক দিন সেন্টড সাহেব আমাকে জিজ্ঞাসা করিলেন, “তুমি ইংল্যান্ড হইতে কি লইয়া যাইতেছ?” আমি। কি জিনিসপত্র লইয়া যাইতেছি। তাই জিজ্ঞাসা করিতেছি ? সেটড। না, তা কেন ? কি দেখিয়া, কি শিখিয়া গেলে ? আমি। দেখিয়া যাইতেছি যে তোমরা ধমৰ্শ প্রবণ বিশবাসী জাতি। তোমাদের নাস্তিকেরাও আস্তিক, তারাও বিশদ্বাস করে যে ব্রহমান্ড ধম নিয়ম দ্বারা শাসিত, এখানে সত্যের জয় হবেই হবে। नऊ। एर्शश टिंक बलिद्माछ, आभद्मा क्षभ‘अद०ा ऊाऊि। ফলত এই ধম প্রবণতা ইংরাজ জাতির চরিত্রের মলে মহাশক্তি রূপে বিরাজ করিতেছে। YDDD TB BDDBLKK DBD SS BBBBBD DDB BDB D DD KBB BDBB BBDD DDD কারণ লক্ষ্য করিলাম। তাহা ইংরাজের গাহসিস্থ্য-নীতি। মধ্যবিত্ত ভদ্র ইংরাজের গহ একটি দেখিবার জিনিস। দশদিন তাহার মধ্যে বাস করিলে মনে এক অভূতপবে শান্তি আনন্দ ও পবিত্রতা অন্যভব করা যায়। ইংরাজের গাহের সৌন্দয্যের অনেকগলি কারণ আছে। যে-যে কারণ আমার মনে লাগিয়াছে তাহারই উল্লেখ করিতেছি। ইংরাজ গহে নারীর অধিকার। প্রথম কারণ, মধ্যবিত্ত ভদ্র ইংরাজ গহসেথর ভবনে নারীর অধিকার। ইংরাজের গহে গহিণী সত্য-সত্যই গহসােবামিনী, রাণী। পরিষ উপাজক, সতরাং বিচারের দিক দিয়া দেখিলে তাঁহারই কতা হইবার কথা। কিন্তু ইংরাজ জাতির সামাজিক ব্যবস্থা অনসারে গহিনীই রানী। পরিষ গহে তাঁহার প্রজা বা প্রধান-মন্ত্রী। পরিষ যাহা উপাজন করেন তাহা গহিণীর হস্তে দিয়া, S8