পাতা:আত্মচরিত (সিগনেট প্রেস) - শিবনাথ শাস্ত্রী.pdf/২৭২

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


বাবা। এস বাপ! কল্যাণ হোক! ওঠ, দাবাতে ওঠ। বসে, তামাক খাও। সমাৰ্গত ব্যক্তি। থাক, আর দাবাতে উঠিব না। অলপ কথা, এই নিচে থেকেই বলে মুম্বুটিঙ্গাসা করি, ঐ স্কুলের পকুরে যে খাঁটিগুলাে ডুবিয়ে রেখেছেন, গুগলাে झ्द ? বাবা । কি হবে তা জানি না। ও গবৰ্ণমেণ্টের জিনিস। তাঁদের পত্র লিখেছি। হয়, অন্য কোনো স্কুলের মেরামতের জন্য যাবে; না হয়, নিলাম করে বিক্লিক করতে 6द ।

  • সমাগত ব্যক্তি। ও খাঁটিগলো আমাকে দিয়ে দিন না ? আপনাকে আমি কিছ थ6न्न ीिछ ।

বাবা প্ৰথমে ঐ লোকটির প্রস্তাবের অৰ্থ বঝিতে পারিলেন না। মনে করিলেন, খাটিগালি কিনিতে চায়। তাই বলিলেন, “তুমি কি আমার কথা শািনতে পেলে না ? ওগলো। গবৰ্ণমেণ্টের জিনিস। তাঁরা যেরপ করতে বলবেন, তাই হবে। তাঁদের হকুম ভিন্ন কি বেচিতে পারি ?” সমাগত ব্যক্তি। আমি আপনার কথা শানতে পেয়েছি। আমি একখানা ঘর তুলছি, ६ प्वाचन आम आश्नाप्त দশ-বারো টাকা ধরে দিচ্ছি, আমাকে খাঁটিগলো का ? এতক্ষণে সমাগত ব্যক্তির হদিগত কথা বাবার হদয়ঙ্গম হইল। তিনি অনভব করিলেন যে ঐ ব্যক্তি তাঁহাকে ঘাষ দিতে চাহিতেছে। তখন একেবারে লম্মফ দিয়া দাবা হইতে নিচে পড়িয়া তাহার হাত ধরিলেন, এবং বলিলেন, “তুমি এমন ছোটলোক যে তুমি আমাকে দশ-বারো টাকা ঘাষ দিয়ে খাটিগলো অমনি নিতে চাও! আর আমাকেও এত ছোটলোক মনে করেছ যে, পরের ধন ঘষি নিয়ে তোমাকে দেবা! চল তোমাকে থানায় নিয়ে যাব, তুমি নিশ্চয় ঐ খাটির কিছ চুরি করেছ।” এই বলিয়া টানাটানি আরম্ভ করিলেন। আমি মাঝখানে পড়িয়া ছাড়াইয়া দিলাম। আমি বালিলাম, “বাবা, খাটি তো গোণা আছে। কাল স্কুলে গিয়ে খাটি তুলিয়ে গণে দেখবেন, যদি কম হয় তখন না হয়। এই ব্যক্তির নামে থানায় খবর দেবেন। এখন একে ছেড়ে দিন।” অনেক বলতে তাহাকে ছাড়িয়া দিলেন। আর কয়েকটি ঘটনা লিখিয়া রাখিবার ও মনে রাখিবার মতো বিষয়। বহল বৎসর পড়বে বাবা একবার নিজের বেতনের বিল ইনস্পেক্টরের স্বাক্ষর করাইয়া ভাঙাইবার জন্য কলিকাতায় আসিতেছেন, এমন সময়ে গ্রামস্থ একজন সাকোল পাঠশালার পন্ডিত বাবার হাতে একখানি ১৫ টাকার বিল দিয়া বলিলেন, “পশ্চিডত মশাই, অনগ্ৰহ করিয়া আমার এই বিলখানাও ইনস্পেক্টরের সবাক্ষর করাইয়া ভাঙাইয়া আনিবেন।” বাবা তাঁহার বিলখানাও লইয়া আসিলেন । এদিকে শহরে আসিয়া ইনস্পেক্টর-আপিসে যাইতে বাবার কিছদিন বিলম্ব হইল। ইতিমধ্যে গ্রাম হইতে সংবাদ আসিল যে, সেই সাকোল পন্ডিতটি ওলাউঠা হইয়া মারা পড়িয়াছেন। বাবা যখন উড্রোসাহেবের আপিসে গেলেন, তখন উড্রোসাহেব বাবাকে বলিলেন যে, তিনিও ঐ পন্ডিতটির সন্ত্রীর দরখাস্ত পাইয়াছেন, যেন তাঁর স্বামীর টাকা অপর লোকের হাতে না পড়ে। বাবা বঝিলেন, দেবীরদের সঙ্গে ঐ DBD DBD DDBDBDS DBD DD DBDB ggB DD DBDBB DDB D BBB উড্রোসাহেব বাবাকে অতিশয় শ্রদ্ধা করিতেন। তিনি বলিলেন, “পন্ডিত, তোমাকে uDS DDBBDDDD DBB DBDD DB BB S DDBB DB S BD DBBLB Si bio .