পাতা:আত্মচরিত (সিগনেট প্রেস) - শিবনাথ শাস্ত্রী.pdf/২৭৬

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


DBBD DDB BDD DDBD DBB DBBBB DDDBDSDBB DBBB DDDDu S এই ভােব তাঁহার ১৭। ১৮ বৎসর ছিল। পরে আমার প্রতি কিঞ্চিৎ প্রসন্ন হইলেন এবং সংসারে সাহায্য করিতে দিলেন। যে সময়ে তিনি আমার সাহায্য গ্ৰহণ না করা বিষয়ে দঢ়প্ৰতিজ্ঞ আছেন, তখন আমি একবার গারতের পীড়াতে আক্রান্ত হইলে তিনি কিরূপে মা’র গহনা বন্দক দিয়া টাকা সংগ্ৰহ করিয়া মাকে লইয়া আমার চিকিৎসার জন্য কলিকাতায় আসিলেন, তাহাও অগ্ৰেই বলিয়াছি। যাহার এক পয়সা লইতেছেন না সেই অবাধ্য পত্রের জন্য যথাসব সব দিতে প্ৰস্তুত, এরাপ মহত্ত্ব কোথায় দেখা या ! এই যে আমাকে দেখিতে আসা, ইহা হইতে আর এক ঘটনা ঘটিল। যাহাতে বাবার মনীষ্যত্ব ও আত্মমর্যাদা জ্ঞান অতি উক্তজবল রূপে প্রকাশ পাইল। তিনি আমার পরিচযার জন্য মাকে এক স্বতন্ত্র বাড়ি ভাড়া করিয়া দিয়া সেখানে আমাকে রাখিয়া গেলেন। কিন্তু গ্রামের কোনো কোনো বিদ্বেন্দটা লোক গ্রামের জমিদারবাবদের নিকট গিয়া বলিল, “শকুনেছেন মশাই ? হারাণপশ্চিডত সেই জাতিচু্যত ছেলের বাড়িতে আপনার সন্ত্রীকে রেখে এসেছে।” জমিদারবাবদের বড়বাব পােব হইতেই বালিকা বিদ্যালয় সংক্রান্ত ব্যাপারে বাবার প্রতি অসন্তুষ্ট ছিলেন, সতরাং এই কথা যেই শোনা অমনি ফোঁস করিয়া উঠিলেন, “বটে! এ দিকে মাখে তো খাব তেজ দেখানো হয়৷ ” এবার পন্ডিতকে ছাড়া হবে না।” অমনি বাবাকে একঘরে করিবার জন্য চক্রান্ত চলিল । বাবার প্রতি পােব হইতে যাহাঁদের ঈষা বা অসন্তোষ বা বিদ্বেষবন্ধি ছিল তাহারা সকলে এই দলে প্রবেশ করিল। দেখিতে দেখিতে গ্রামের মধ্যে বিলক্ষণ দাইটি দল পাকিয়া দাঁড়াইল। বাবা অগ্রে বরং প্রকৃত কথা কাহাকেও-কাহাকেও বলিতেছিলেন, কিন্তু যেই শনিলেন যে তাঁহার বিরদ্ধে দল বধিতেছে, অমনি মািখ বন্ধ করিলেন। বলিলেন, “আচ্ছা! ওদের যা করবার করােক!” ক্ৰমে আসল কথাটা প্ৰকাশ হইয়া পড়িল গ্রামের লোকে কলিকাতা হইতে বাড়িতে গিয়া প্রচার করিয়া দিল যে, আমার বাড়িতে মাকে রাখা হয় নাই, কিন্তু মা’র কাছে আমাকে আনিয়া রাখা হইয়াছে ও আমার পরিবার-পরিজন সর্বতন্ত্র বাড়িতে আছে। তখন জমিদারবাবরা মশকিলে পড়িয়া গেলেন, একবার মািখ দিয়া বলিয়াছেন যে বাবাকে একঘরে করিবেন! আবার কি করিয়া সে কথা তুলিয়া লন ? তখন বলিলেন, “পণ্ডিত একবার নিজে আসিয়া বলকে যে তার স্ত্রী স্বতন্ত্র বাড়িতে আছেন, তা হলে আমরা যা বলেছি তা তুলে নি।” বাবা শনিয়া বলিলেন, “শমা সে ছেলেই নয়! যদিও এ সত্যকথা, তব, আমি যারা ভয় দেখিয়েছে তাদের কাছে গিয়ে এ কথা বলতে প্রস্তুত নই। তাঁদের যা করবার হয় করন।” দামাস যায়, চারিমাস যায়, বাবা আর যান না। জমিদারবাবরা নানা লোকের দ্বারা ডাকিয়া পাঠান, বাবা সে পথ দিয়াই চলেন না। অবশেষে জমিদারবাবরা আপনাদের মান রক্ষার জন্য এক কৌশল অবলম্বন করিলেন। বাবা তাঁহার জ্যোিঠ মামাতো ভাই গোবধান শিরোমণি মহাশয়কে অতিশয় ভক্তিশ্রদ্ধা করিতেন। তিনি জমিদারবাবদের গাের ছিলেন। বাবরা নিরাপায়। হইয়া তাঁহার শরণাপন্ন হইলেন। তিনি একদিন বাবদের কাছারিতে বসিয়া বাবাকে ডাকাইয়া পাঠাইলেন। চাকর আসিয়া বলিল, “কাপ্তবায়ন বাড়ির বড়কতা বাবদের কাছারিতে বসে আপনাকে ডাকছেন।” গ্রামে “বাবা’ বলিলেই জমিদারবাব, বৰঝায়। বাবা বলিলেন, “বাবদের কাছারিতে বসে কেন ?” চাকর সে বিষয়ে কিছই বলিতে BBDDB BO S BDD DBB BD DB DBDBBD DS DB D BDS DDD DDBBDS ՀԳՀ 瞿