পাতা:আত্মচরিত (সিগনেট প্রেস) - শিবনাথ শাস্ত্রী.pdf/৩৮

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


‘রাম’ শব্দের টা-তে কি হয় ? আমি ১৮৫৬ সালে যখন কলিকাতায় আসিয়া সংস্কৃত কলেজে ভর্তি হইলাম, তখন বিদ্যাসাগর মহাশয় সেখানকার কতা। তিনি তৎপবে মাধবোধ ব্যাকরণ পড়ানো বন্ধ করিয়া নিম্পন্ন শ্রেণীতে তাঁহায় প্রণীত উপক্ৰমণিকা গ্রীষ্মের ছটিতে বাড়িতে আসিলে আমার প্রপিতামহদেব শানিলেন যে আমি সংস্কৃত BDS DuDuDuB uBBDDSDBDBB DBDD DDDB BBD S BBDD BBBD DB আমাকে নিকটে বসাইয়া জিজ্ঞাসা করিলেন, “বাবা! রাম শব্দের "টা"-তে কি হয়, বল তো।” আমি বালকের কন্ঠস্বরে চীৎকার করিয়া ৱিলিলাম, “রাম শব্দের আবার এটা কি ?--রামিটা।” তখন তিনি বিরক্ত হইয়া বলিলেন, “ঘোড়ার ঘাস কাটবে।” “রাম শব্দের তৃতীয়ার এক বচনে কি হয়”—বলিয়া জিজ্ঞাসা করিলে আমি বলিতে পারিতাম : “রামেণ’। কিন্তু আমি তো মগধবোধ পড়ি নাই, কাজেই রাম শব্দের ‘টা’ যে কি, তাহা বঝিতে পারিলাম না। ইহা লইয়া আমার বাবার সহিত প্রপিতামহদেবের কথা হইল, বাবা সমন্দিয় কথা বঝাইয়া দিলেন। কিন্তু সংস্কৃত ব্যাকরণ পড়িতেছি। ना शनिब्रा ऊिनि वफूछे नथिऊ श्cलन। বাবার মাখে শনিয়াছি, প্রপিতামহ মহাশয়ের সময়ে কলাপ ব্যাকরণ পড়িবার রীতি ছিল, তদনসারে তিনি যৌবনে কলাপ ব্যাকরণ পড়িয়াছিলেন। কিন্তু আমার পিতা মহাশয়ের পঠদ্দশাতে মগধবোধ ব্যাকরণ পড়িবার রীতি প্রবতিত হইয়াছিল। তদনসারে প্রপিতামহ মহাশয় বোধ হয় মনে করিয়াছিলেন যে আমি মগধবোধ পড়ি, BD BDBDD sBD DDBBBDBDSBDB BBD uSuuD D DBD DS প্রপিতামহদেব আমার মাতার মন্ত্ৰদাতা গরু ছিলেন। সতরাং সময়ে অসময়ে মাতাকে ডাকিয়া, কোন সম্প্ৰথলে কিরুপ কতব্য, সে বিষয়ে উপদেশ দিতেন। এই সকল উপদেশ আমার মাতার অন্তরে এরপে দািঢ়বন্ধ হইয়া গিয়াছিল যে, তিনি সমগ্র জীবনে ঐ সকল উপদেশ হইতে একপদও বিচলিত হন নাই বলিলে অত্যুক্তি হয় না। প্রপিতামহ মহাশয় আমার জননীকে বিবাহিতা হিন্দ, রমণীর যে গন্তব্য পথ BBBBDDBD DDD DDDDBBDS DBBD DDB BBB BBB BuDuuDuD DB আমার শৈশবে আমার মাতৃদেবীর ও আমার প্রপিতামহের যে ধমভাব দেখিয়াছি, তাহা ভুলিবার নহে। আমাকে রোগমন্ত করিবার জন্য মা'র ইন্টদেবতার নিকট মানতের কথা পাবেই বলিয়াছি। তাহাই কেবল নহে, ধম সাধন তাঁহার প্রতি দিনের প্রধান কাব্য DDD D DDD BB DDD DDBD BBD DDBBBD BB BBBD BBB থাকিতেন। খাবার অন্ন ঠাকুর দিগকে নিবেদন না করিয়া কাহাকেও খাইতে দিতেন না। বিশেষ বিশেষ দিনে ব্ৰত নিয়ম উপবাসাদি চলিত, প্রতি দিন পাজার ফল আনিয়া আমার মাথায় দিতেন এবং নিজের পদধলি দিয়া আশীবাদ করিতেন। সাধপরিষ প্রপিতামহ। প্রপিতামহদেবের ধর্মভাবও চিরস্মরণীয় হইয়া রহিয়াছে। তিনি বিশবাসী ভক্ত শান্ত সাধক ছিলেন। তাঁহার ইমেটদেবতাকে সব দা ‘দয়াময়ী মা’ বলিয়া ডাকিতেন। যৌবনে নিজের দই, কন্যা সন্তান জন্মিলে তাঁহাদের নাম ‘দয়াময়ী’ ও ‘কািরণাময়ী’, রাখিয়াছিলেন। তাঁহারা বাল্যকালেই গত হন। দয়াময়ী করুণাময়ীর চিন্তা তাঁহার মনে কিরাপ লাগিয়া ছিল, তাহার প্রমাণ এই যে, তাঁহাদের মাতুর প্রায় ষাট বৎসর পরে যখন আমার প্রথমা ভগিনী উন্মাদিনী জন্মিল, তখন তাঁহার মনে হইল দয়াময়ী আবার আসিয়াছে।