পাতা:আত্মচরিত (সিগনেট প্রেস) - শিবনাথ শাস্ত্রী.pdf/৪২

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


: আমরা বাড়ির ভিতর উপরতলায় থাকিতাম। সেই উপরিতলায় এক পাশে বর্ণ ভালোবাসিতেন। সে পরিষের বাসা, সমস্ত দিনের মধ্যে একটি, মেয়েমানষের মািখ দেখিতে পাইতাম নয়। সবসম্পকীয় ও সবগ্রামের অনেকগালি যােবককে আমার মাতুল LBD DBDS DDDDD DBB BBB DDBD S gBBESBDD kuuuBBDDB BDS কেহয় দেড় কুনিকা, কেহ দাই কুনিকা চাউলের ভাত খায়। কেহ পড়ে, কেহ বা কিছ কাজ করে, কেহ বা নিম্পকমা বসিয়া খায়। আমার বাবা সংস্কৃত দশকুমারচরিত হইতে নাম সংগ্ৰহ করিয়া তাঁহাদের কাহারও নাম ‘দপসার', কাহারও নাম ‘দপনারায়ণ’, কাহারও নাম ‘চন্ডবমা’ রাখিয়াছিলেন; সেই নামে তাঁহাদিগকে ডাকিতেন। তদিত্তািন্ন প্রত্যেকের ভোজনের পাথরের পন্ঠে নরন দিয়া খাদিয়া কে কত কুনিকা uDBDBB DBDB DBD BB DDD DDDDB BB DDD DD DBDBBB D DDDB বিলিয়া আমার মাতামহ থালা বাটির পাট উঠাইয়া দিয়া প্রত্যেকের জন্য এক একখানি মেটে পাথর কিনিয়া দিয়াছিলেন। অতিরিক্ত লোক আসিলে শালপাতা কিনিয়া দেওয়া হইত। আমি আসিলে আমার একখানি মেটে পাথর আসিল। প্রত্যেককে আপন আপন পাথর মাজিতে হইত। বালার লোক। পরবষ পরিষের সঙ্গে থাকিলে তাহদের আলাপ আমোদ, কথাবাতাতে লাজ সরাম থাকে না। বাসার লোক আমাকে দেখিয়াও কিছ সঙ্কোচ করিত না, অবাধে সকল প্রকার আলাপ করিত। আমার বাবা দেখিতে পাইলে কখনো কখনো তাহাদিগকে তিরস্কার করিতেন, কখনো কখনো আমাকে তাড়াইয়া দিতেন। বয়ঃপ্ৰাপত ব্যক্তিদিগের সহিত নিরন্তর বাস করিয়া ও এই সকল অভদ্র আলাপ নিরন্তর শনিয়া আমার মহা অনিন্ট হইয়াছিল, এখন তাহা বঝিতে পারিতেছি। আমার অকালপক্কতা জলিময়াছিল। গ্রামের লোকে তাহার পর হইতে আমায় ‘শিবে জেঠা” নাম দিয়াছিল। আমি অল্পবয়স্ক বালক হইয়াও কিরূপে বয়োবন্ধদিগের সহিত জেঠামো কিরিতাম, তাহা স্মরণ করিয়া এখন লাভজা হয়। তদিভন্ন ঐ পরিষদিগের মধ্যে কেহ কেহ আমাকে অনেক খারাপ বিষয় শিখাইয়াছিল, যাহার অনিন্ট ফল পরজীবনেও অনেক দিন ভোগ করিয়াছি। এই পরিষদের সঙ্গে বাস ও অভদ্র আলাপাদি দ্বারা আর একটি অনিন্ট এই হইয়াছে যে, আমার রীতিনীতি আলাপ সম্ভাষণ প্রভৃতিতে ভদ্রতা ও সৌজন্য সমচিতরাপে ফটিতে পায় নাই। বন্ধ্যরা আমাকে ভালোবাসেন বলিয়া আমার আলাপ সম্পভাষণে সৌজন্যের প্রতি তত দণ্টি রাখেন না। কিন্তু আমি সময়ে সময়ে অন্যভব করি যে, আমার আলাপ আচরণ ভদ্রতার অন্যরাপ নহে। এমন কি, যে নারী জাতির প্রতি আমার এত ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা, তাঁহাদের প্রতিও সমচিত সৌজন্য প্রকাশ করি না। ’ । এই হরেকৃষ্ণ বাবাজীর বাড়িতে স্মরণীয় বিষয়ের মধ্যে আর একটি কথা আছে। তখন কলিকাতার অবস্থা এইরপ ছিল যে, কেহ প্ৰথমে আসিলে একবার গারতের পীড়াতে পড়িতে হইত। আমিও আসিয়া ২। ১ মাসের মধ্যে কঠিন জবর রোগে আৱকালত হইলাম। দেশে আমার মাকে সে সংবাদ দেওয়া হইল না। এই জবারের বিষয়ে আমার এই মাত্র স্মরণ আছে যে, আমাকে একখানা ভাঙা রথের চড়ার উপরে বসাইয়া ভাপরা দেওয়া হইয়াছিল। সে সময়ে ভাপরা দিয়া জবর ছাড়ানো, ও মাথাব্যথা হইলে জোঁক লাগানো, চিকিৎসার প্রণালী ছিল। 8.