পাতা:আত্মচরিত (সিগনেট প্রেস) - শিবনাথ শাস্ত্রী.pdf/৫১

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


এবং আমার সহিত কথা কহিয়া মাকে ডাকিতে গেলেন। মা তাঁহার কথা শনিয়া জঙ্গল হইতে উঠিয়া আসিলেন, এবং “বাবা রে, তুই কি আছিস ?” বলিয়া আমার শয্যা*ाटब्द °एिक्लझा कर्पोमटऊ व्लाक्रिाहव्णन । BDBBBDD DDDBLD DDDBDSSiBDD BDDBDBB BBB BBBB BuDDBDS DDBDD করেছিলাম, দোষ হয়েছিল, সন্দেহ নাই। কিন্তু লাঘ পাপে এত গাের দন্ড দেওয়া বাবার পক্ষে কি ভালো হয়েছে ? আমার স্ত্রী ও শবশরিবাড়ির লোকেরা বাড়িতে রয়েছে, পাশের বাড়িতে কুটামরা এসেছে, তাদের সমখে এত মারা কি বাবার পক্ষে ভালো হল ?” এই কথা বলিতে না বলিতে দেখিতে পাইলাম, বাবা অন্দরে মাটিতে নাক ঘষিয়া নাকে খৎ দিতেছেন। এখানে এ-কথা বলা আবশ্যক যে তাহার পরে তিনি সহস্র উত্তেজনা সত্ত্বেও আমার বা আমার ভগিনীদের গায়ে আর হাত তোলেন নাই। এমন কি, আমি ব্রাহমসমাজে যোগ দিয়া উপবীত পরিত্যাগ করিলেও, তিনি তজন গজন করিয়াছেন, দন্তে দন্ত ঘষণ করিয়াছেন, কিন্তু আমার গায়ে হাত দেন নাই। ইহাতেই সকলে বঝিবেন, তাঁহার অন্যতাপ ও প্রতিজ্ঞা কিরােপ ঐকান্তিক ছিল। মাতুলের সাপ্তাহিক ‘সোমপ্রকাশ”। ইহার কিছদিন পরেই আমার পিতা কলিকাতা বাংলা পাঠশালার কম হইতে বদলী হইয়া আমাদের গ্রামের হাডিঞ্জ মডেল বাংলা স্কুলের হেড পন্ডিতের কম পাইয়া গ্রামের বাড়িতে চলিয়া যান। তখন আমাকে সিদ্ধেশবর চন্দ্রের লেনে আমার মাতুলমহাশয়ের বাসাতে রাখিয়া যান। এখানে ঈশ্ববরচন্দ্র বিদ্যাসাগর সর্বদাই আসিতেন, এবং আমার মাতুলের সহিত কি পরামর্শ করিতেন। পরে শানিলাম, ‘সোমপ্রকাশ’ নামে একখানি সাপত্তাহিক কাগজ বাহির হইবে, তাহার পরামর্শ চলিতেছে। ১৮৫৮ সালে সোমপ্রকাশ কাগজ বাহির হইল। বাসাতে ধর্ম পড়িয়া গেল। বাড়িতেই ছাপাখানা খোলা হইল। কাগজ ছাপা ও কাগজ বিলির জন্য অনেক লোক বাসাতে থাকিতে আরম্ভ করিল। হৈ-হাই গোলমাল সমস্ত দিন ও রাত্রি দশটা এগারোটা পর্যন্ত। তাহার ভিতরে আমি বয়সে সবাপেক্ষা ছোট, আমার খাওয়া দাওয়া বা কে দেখে, পড়াশোনার প্রতিই বা কে দলিট রাখে! আমি সেই পরিষের দলে পড়িয়া, রাঁধি, বাসন মাজি, এবং কোনো প্রকারে নিজের পড়াশোনা করি। তদপরি, বাসার বয়ঃপ্ৰাপত যবেকগণের আলাপ আচরণ কিছই আমার মতো বয়সের ছেলের শনিবার ও দেখিবার উপযক্তি নহে। সে সকল সমরণ করিলে এখন লজিজা হয়, এবং ঈশবরকে ধন্যবাদ করি যে একেবারে অসৎপথগামী হই নাই। সপ্তাহের মধ্যে বাসার অন্নাশ্রিত লোকগালি মাতুলের ভয়ে অনেক শান্ত মতি ধারণ করিয়া থাকিত, নিজ-নিজ কাজে মনোযোগ করিতে বাধ্য হইত। মাতুলমহাশয় শনিবার দেশে যাইতেন, শনিবার রাত্রি ও রবিবার সমস্ত দিন বাসা আর এক মতি ধারণ করিত। কেহ গাঁজা কেহ মদ খাইয়া ঢলঢলি করিত। মাতুল খরচের জন্য যেকিছ পয়সা দিয়া যাইতেন তাহা এইরূপে ব্যয় করিয়া ফেলিত। আমাদিগকে অনেক BB BDBDD DBS BDBD DDBD D DB BDBD DBDBD DBDBDDS BuD DDD S তথাপি যাহা দেখিতাম ও শনিতাম তাহা বালকের দেখা কোনো প্রকারেই কতব্য নহে। ঈশবরকে আজ অগণ্য ধন্যবাদ দিতেছি যে, সেই সকল দশটাতের মধ্যে তিনি আমাকে রক্ষা করিয়াছিলেন। W ܠ&