পাতা:আত্মচরিত (সিগনেট প্রেস) - শিবনাথ শাস্ত্রী.pdf/৬২

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


হইল। অপরাহু চরিটার পর ঝড়ের বেগ কিমিয়া আসিতে লাগিল। গ্রামস্থ যাহারা সেই গহে আশ্রয় লইয়াছিল তাহারা ‘বাবা রে, মা রে” করিতে করিতে সর্বীয়-পৰীয় ভবনের উদ্দেশে যাত্রা করিল। আমাদের শালতির চালক দইজন আমাদের বিছানা Dt DBBBDSBDBD DBBBB DBDBB DDDD DBDDD BBDBB uBBDBD S DDDS LDDB BD BBB BBDB BBB BBB DB DDDD DDDDDBDBS DDD DDD BBDB মধ্যে ডুবিয়া গিয়াছে। তখন আর উদ্ধার করিবার সময় নাই, সন্ধ্যা সমাগতপ্ৰায়। তাহাদিগকে সেই ভাঙা দাবাতে কোনো প্রকারে রান্ত্রি যাপন করিতে বলিয়া আমরা সেই দরিদ্র ব্রাহণের ভাঙা ঘরে রাত্রি যাপন করিবার জন্য প্রস্তুত হইলাম। তাহারা পোদ: নামক হীনজাতীয় লোকের ব্রাহণ। ক্ৰমে সন্ধ্যা সমাগত হইল। সেই গাহের বন্ধ-বৰ্ম্মধার বীর প্রকৃতিসম্পন্ন যােবক পত্র সমস্ত দিনের অনাহার ও গারতের শ্রমের পর ক্লান্ত হইয়া আসিয়া ঘরের মধ্যে পড়িল। পিতা মাতা ব্যাকুল হইয়া অনরোধ করিতে লাগিল, “ওরে, তুই মখ হাত ধয়ে, ওই চৌকির নিচে তোর ভাত আছে, খা।” তখন আমরা সেই ঘরে নয়জন, আমরা বিদেশীয় পাঁচজন, ও বড়ো বাড়ি যােবক পত্র ও গভিাণী পত্রিবধ এই চারিজন । পিতা-মাতার অনরোধ ও ব্যগ্রতা দেখিয়া ব্যবকটি বলিল, “বাবরা সমস্ত দিন অনাহারে আছেন, ওঁরা ঘরে বসে থাকবেন আর আমি খাব, তা কি হয় ?” কোনো রূপেই সে খাইবে না। ইহাতে আমরা বাহিরের লোক চটিয়া উঠিলাম, বলিলাম, “সে কি কথা! এই বিপদে কি কেউ আতিথ্য করতে পারে ? তুমি সমস্ত দিন ছাটাছটি করেছ, তুমি ঐ ভাত খাও, কিছই অন্যায় হবে না।” সে তাহা শনিল না, বসিয়া রহিল। শেষে আমি জিজ্ঞাসা করিলাম, “আচ্ছা, তোমাদের ঘরে আমাদের খাবার মতো কিছ আছে কি না ?” যবেক বলিল, “চাউল আছে, তা ভিজে গিয়েছে।” DDDBSDBDBDBDS DB BBD DBDDB BDL S BBD DBBD BBDBD DBB DBDDD সকলকে দিলাম, বলিলাম, “ভালো লাগক না লাগক। আপনারা খান, তা না হলে ও-ব্যক্তি খাবে না।” আমরা ভিজা চাউল খাইতে প্রবত্ত হইলাম। হঠাৎ মনে হইল, শালতিতে এক হাঁড়ি মাষকলাই বাড়ির জন্য লইয়া যাইতেছিলাম, সমস্ত দিন ভিজিয়া ‘তাঁহাতে কল বাহির হইয়াছে। আমি সেই ভিজা কলাই আনিয়া সকলকে চাউলের সঙ্গে খাইতে দিলাম। আমাদের আহারটা বড় মন্দ হইল না। তৎপরে শয়নের ব্যাপার। সেই দরিদ্র ব্রাহণের ঘরে যতগলি লেপ-কথা-মােদর ছিল, সমাদয় সমাগত কম্পান্বিত বালক-বালিকাদিগকে চাপা দিবার জন্য দিয়াছিল, তাহাতে সে সমাদয় ভিজিয়া গিয়াছে, কেবল দাইটি সেতলা মাদর তখনো শকিনো আছে। গহস্বামীর পত্ৰ প্রস্তাব করিল যে, তাহার একটিতে তাহারা সপরিবারে শয়ন করিবে, আর একটিতে আমরা পাঁচজন শয়ন করিব। আমার সঙ্গের লোকেরা তাহাতে সম্পমতি হইয়া আদরের সহিত মাদরটি লাইলেন, তাহা লইয়া তাঁহাদের সঙ্গে আমার ঝগড়া হইল। আমি বলিতে লাগিলাম, “ছি ছি! ও মাদর নেবেন না, ওরা মাদরে শ্যক।” এই প্রস্তাকে সঙ্গের পথিকেরা হাসিতে লাগিলেন, “আমরা পাঁচজনে এক মাদরে শই, ওরা চারজনে আর এক মাদরে শক। এ বিপদে আর ভদ্রতা করবার সময় নাই।” এই কথাতে আমি রাগ করিয়া মাদরের বাহিরে কাদাতে শাইয়া অগাধ নিদ্রা দিলাম। পরদিন প্রাতে যখন চক্ষ খলিলাম, তখন দেখি বেশ রোদ উঠিয়াছে। আমার অগ্ৰেই আর সকলে জাগিয়া প্ৰাতঃকৃত্য সমাপন করিতেছিলেন। আমি বাহিরে গিয়া দেখি, বন্ধ-বান্ধার যােবক পত্রটি আমাদের শালতির চালকদ্বয়ের সঙ্গে পরকুরে èy R