পাতা:আত্মচরিত (সিগনেট প্রেস) - শিবনাথ শাস্ত্রী.pdf/৯০

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ভগবতী দেবীর যে প্রশংসা করিল। তাহা শনিয়া আমাদের মন পলকিত হইয়া উঠিল। শনিলাম, ভগবতী দেবী ছতরের মেয়ে বলিয়া তাহাদিগকে ঘণা করা দরে থাকুক, মেয়েটিকে কোলে জড়াইয়াছেন, কাছে বসিয়া তাহাদিগকে খাওয়াইয়াছেন, এবং আসিবার সময় দজনকে কাপড় দিয়াছেন। দঃখের বিষয়, এই মেয়েটিকে বেথন হইল, আমাদের বাসা ভাঙিয়া গেল, আমরা ছড়াইয়া পড়িলাম। মেয়েটির মাও পাশের বাড়ি হইতে উঠিয়া গেল। মেয়েটি আমাদের হাতছাড়া হইল। ইহাের বহদিন পরে মেয়েটির সহিত আমার আবার একবার সাক্ষাৎ হইয়াছিল, তাহা এই সঙ্গেই বলা যাউক । তখন আমি সাধারণ ব্রাহামসমাজের আচায, এবং ব্রাহামসমাজ লাইব্রেরি গহে বাস করি। একদিন একজন ভূত্য কোনো সন্ত্রীলোকের একখানি পত্ৰ লইয়া উপস্থিত। খলিয়া দেখি, সেখানি ঐ মেয়েটির পত্র। সে আমাকে লিখিয়াছে, “বহ বৎসর পাবে চাঁপাতলার দিঘীর কোণের এক বাড়িতে পাড়ার BBDD SS BBBOuB0 DDDDBD DBBB DDD DDDB D BDBD luuu uuDuDS আপনার হয়তো মনে আছে। আমি সেই হতভাগিনী। আমি বিপদে পড়িয়া আপনাকে DDBDBDu S gBB DD DDBDB BDDD BBD BDBDBD SE DBDBDD BBB DDDBDS বিশেষ বিপদে না পড়িলে এতদিন পরে আমাকে সমরণ করে নাই, আমার যাওয়াই কতব্য। এই ভাবিয়া তাহার বাড়িতে গেলাম। গিয়া যাহা শানিলাম, তাহা এই। আমরা ও তাহার মা চাঁপাতলা পরিত্যাগ করিলে তাহার মা আর বিদ্যাসাগর মহাশয়ের - নিকট যায় নাই। সে বড় হইয়া উঠিলে তাহার মা তাহাকে পাপ পথে লইয়া গেল। সেই অবস্থা হইতে ক্ৰমে সে এক ব্যক্তির উপপত্নীর পে বাস করিতে লাগিল ও তাহার দাইটি পত্রসন্তান জন্মিল। তাহাদিগকে লইয়া বিবাহিতা স্ত্রীর ন্যায়। সখেই তাহার কাল কাটিতেছিল। যে ব্যক্তি তাহাকে রাখিয়াছিল। সে তাহাকে একখানি বাড়ি কিনিয়া দিয়াছিল, এবং লেখাপড়া করিয়া তাহাকে কয়েক হাজার টাকার কোম্পানির কাগজও দিয়াছিল। কিন্তু পত্রদ্বয় বয়ঃপ্ৰাপত হইবার পাবেই সে ব্যক্তি তাহারই বাড়িতে গরতের পীড়ায় আক্রান্ত হইল। এই অবস্থাতে সে ব্যক্তি কোম্পানির কাগজের লেখাপড়াগলি ছিাড়িয়া ফেলিয়া নিজের বিবাহিতা সন্ত্রী ও পত্রের কাছে গিয়া আশ্রয় লইল। কেবলমাত্র বাড়িখানি এই মেয়েটির রহিল। ছেলে দাইটি লইয়া সে বিপদ সমন্দ্ৰে ভাসিল। এই অবস্থাতে সে আমাকে সমরণ করিয়াছিল। আমি তাহার বাড়িতে মধ্যে মধ্যে যাতায়াত করিতে আরম্ভ করিলাম। কিছদিন পরেই দেখিলাম, তাহার এই অবস্থাতে বন্ধতা দেখাইয়া কুলোেক তাহাকে ঘিরিতেছে। তখন আমি তাহাকে সে বাড়ি ভাড়া দিয়া আমার নিদিন্ট অন্য কোনো সস্থানে উঠিয়া আসিবার জন্য অনরোধ করিতে লাগিলাম। কিন্তু সে তাহা করিল না, সেই বাড়ির বাহিরের অংশ ভাড়া দিয়া ভিতরের অংশে পত্র সহ থাকিতে লাগিল। একদিন গিয়া দেখি, একটি ১৯ । ২০ বৎসরের মেয়ে কোথা হইতে জটিয়াছে, তাহার একটা ইতিবত্ত আমাকে বলিল, তাহা এখন সমরণ নাই। কিন্তু ঐ মেয়ের ঘরে ফরাস বিছানা তাকিয়া বাঁধা হকা প্রভৃতি দেখিলাম। তখন মনে হইল, নিজের রােপ যৌবন গত হওয়াতে । তাহাকে অথোেপাজনের আশায় আনিয়াছে। তখন আমি বলিলাম, “এই আমার তোমার ভবনে শেষ আসা।” আমার এই ভগিনীকে অনেক দিন পরিত্যাগ করিয়া আসিয়াছি, কিন্তু তাহার বিষয় স্মরণ করিয়া এখনও দঃখ হয়। সে এতদিন পরে ‘দাদা’ বলিয়া সমরণ করিল, bዖ bታ