পাতা:আত্মচরিত (৩য় সংস্করণ) - শিবনাথ শাস্ত্রী.pdf/১৩০

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


રૂ শিবনাথ শাস্ত্রীর আত্মচারিত [ ৪র্থ পরিঃ বিদ্যার সাগর তব মুখের প্রধান, টিকিদার ভট্টাচাৰ্য্য, নাহি কোন জ্ঞান। ইংরাজ মেয়েদের প্রশংসা করিয়া লিখিলাম ধবলাঙ্গী তাম্রাকেশী বিড়াল-লোচনা, বিবাহ করিব সুখে ইংরাজ-ললনা । এই সূত্রে প্যারী বাবুর নিকট আমার একটা পসার দাড়াইল । তাহার একটি ফল মনে আছে। ইহা বোধ হয় ইহার কিছু দিন পরে ঘটিয়া থাকিবে। এক বার আমার বন্ধু উমেশচন্দ্ৰ মুখোপাধ্যায় চট্টগ্রামবাসী প্রেসিডেন্সী কলেজের অন্যতম ছাত্ৰ নবীনচন্দ্ৰ সেনের লিখিত একটি কবিতা আনিয়া আমাকে দেখাইলেন। কবিতাটি পড়িয়া আমার বড়। ভাল লাগিল। আমি উমেশের সঙ্গে নবীন বাবুর বাসাতে গিয়া তাহার | সহিত দেখা করিলাম, এবং সেই কবিতাটি এডুকেশন গেজেটে প্ৰকাশ করিবার জন্য উৎসাহিত করিলাম। আমার অনুরোধে তিনি কবিতাটি আমার হাতে দিলেন। আমি কাটিয়া কুটিয়া তাহাতে নিজে কিছু যোগ করিয়া প্যারী বাবুর হাতে দিয়া আসিলাম। তিনি তাহা এডুকেশন গেজেট ছাপিলেন এবং নবীনকে ডাকিয়া উৎসাহিত করিলেন। পরে নবীনচন্দ্ৰ সেন মহাশয়ের কবিতা গ্ৰন্থ মুদ্রিত হইলে পড়িয়া দেখিয়াছি, তাহাতে সেই কবিতাটি আছে, এবং যত দূর মনে হয়, আমার প্রক্ষিপ্ত দুই চারি পংক্তি এখনও রহিয়াছে। আমার এখন স্মরণ করিয়া হাসি পায়, আমি সেই অল্প বয়সে কাব্য জগতে কিরূপ মুরুকিব হইয়া উঠিয়াছিলাম। প্যারীচরণ সরকারের সংশ্রবে। আসার ফল ; সুরাপানে বিদ্বেষ —প্যারী বাবুর সংশ্রবে। আসিয়া আমার আর এক উপকার হইল। সুরাপানের উপর আমার দারুণ বিদ্বেষ জন্মিল। তাহার একটি প্ৰমাণ আমার মনে আছে। আমি অগ্ৰেই বলিয়াছি, ভবানীপুরে যে