পাতা:আত্মচরিত (৩য় সংস্করণ) - শিবনাথ শাস্ত্রী.pdf/১৫৭

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


@ঈশান ও যোগেনের শ্রদ্ধা ও বিশ্বাস >之 { هو واوكايالا ঈশান ও যোগেনের শ্রদ্ধা ও বিশ্বাস।--ফলতঃ, এই কালকে যে আমার জীবনের শ্রেষ্ঠ কাল বলিয়াছি, তাহার কারণ এই । এই কালের মধ্যে আমার অন্তরে ধৰ্ম্মভাব ও ব্যাকুলত৷ পূৰ্ণ মাত্রাতে কাজ করিতেছিল ; অপর দিকে বন্ধুদের প্রতি ও শ্রদ্ধা পূর্ণ মাত্রাতে ভোগ করিতেছিলাম। বস্তুতঃ, আমার প্রতি ঈশান ও যোগেনের প্রতি শ্রদ্ধা বিশ্বাস ও নির্ভরের যেন সীমা ছিল না। লিখিতে লিখিতে একটা কথা মনে হইতেছে, তাহা ইহার অনেক পরের ঘটনা। তখন ঈশান বোধ হয়। লক্ষ্মেী এর বলরামপুর হাসপাতালে কৰ্ম্ম করিতেন। সেই সময় এক বার ছুটি লইয়া আসিয়া কলিকাতাতে ছিলেন। এক দিন সন্ধ্যার পর আমি তঁাহাদিগকে দেখিতে গেলে, তিনি আমাকে আবদ্ধ করিয়া রাখিলেন ; আর বাড়ীতে আসিতে দিলেন না। বলিলেন, “আমার পরিবার সম্বন্ধে অনেক কথা আছে, তুমি থাক।” এই বলিয়া তাহার পত্নীর ক্রটির বিষয়ে আমার কানে অনেক কথা ঢালিলেন। বলিলেন, “আমি আমার স্ত্রীকে অনেক বুঝাইয়াছি, কোনও ফল হয় নাই। তুমি এক বার বুঝাও।" আমি বলিলাম, “তোমার কথাতে কাজ হয় নাই, আমার কথাতে কি হবে ?” তিনি বলিলেন, “তোমাকে বড় ভালবাসে ও শ্রদ্ধা করে, তোমার কথাতে ওর উপকার হ’তে পারে।” আমি অগত্যা ভূত্যের দ্বারা প্ৰসন্নময়ীকে সংবাদ দিয়া সে রাত্রি সেখানেই যাপন করিলাম। অনেক ক্ষণ র্তাহার স্ত্রীর সহিত র্তাহাদের দাম্পত্য বিবাদ বিষয়ে কথাবাৰ্ত্ত কহিলাম। আমার কথার কি ফল হইল, জানি না ; কিন্তু বন্ধুদের এই অকৃত্রিম শ্রদ্ধা ও প্রতির বিষয় যখন স্মরণ করি, তখন ঈশ্বরকে ধন্যবাদ করি। কারণ, ইহাদের সদ্ভাব শ্ৰীতির দ্বারা আমার হৃদয় মনের অনেক উপকার হইয়াছিল। দ্বিতীয়া পত্নী বিরাজমোহিনীকে পুনরায় বিবাহ দিবার প্ৰস্তাব -এই সময় আমার মাথায় যত রকম আজগুবি মৎলব আসিত,