পাতা:আত্মচরিত (৩য় সংস্করণ) - শিবনাথ শাস্ত্রী.pdf/১৭৯

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


সংস্কৃত বেণীসংহার নাটকের অভিনয় ֆ8Գ [ منوا دوران پیلا বারাঙ্গনা অভিনেত্রী যেদিন হইতে আসিল, সেদিন হইতে আমার অন্তৰ্দ্ধান । সে যাহা হউক, সহাধ্যায়ী ছাত্রেরা যখন আমাকে ডাকিল, তখন তাহাদের কমিটিতে থাকিতে রাজি হইলাম এবং নিজে এক জন অভিনেতা হইতে প্ৰস্তুত হইলাম। আমি হইলাম যুধিষ্ঠির, আমার বন্ধু যোগেন্দ্ৰ হইলেন অৰ্জ্জুন, ও অপর বন্ধু উমেশ হইলেন অশ্বত্থামা। কলেজের নিম্ন শ্রেণীর কয়েকটি সুন্দর সুন্দর ছেলেকে মেয়েদের পাট দেওয়া গেল। আমরা মোহাড়া দিয়া সকলকে উত্তম রূপে শিখাইয়া, শোভাবাজারের রাজবাড়ীর নাটমন্দির ঠিক করিয়া, কলিকাতা হুগলী কৃষ্ণনগর প্রভৃতি কলেজ সকলের বি এ ক্লাসের ছাত্ৰাদিগৰুে টিকিট প্রেরণ করিয়া নিমন্ত্ৰণ করিয়াছি, এমন সময়ে এই অভিনয়ের বিরুদ্ধে আমাদের কলেজের মধ্যেই মহা আন্দোলন উপস্থিত হইল। পণ্ডিত মহাশয়েরা বলিতে লাগিলেন যে, ছেলেরা পড়াশোনা ছাড়িয়া কেবল অভিনয় লইয়া মাতিয়াছে। আর বাস্তবিক তঁহাদের অভিযোগ করিবার কারণও ছিল । আমরা যাহাদিগকে অভিনেতা করিয়াছিলাম, তাহারা কিছু বাড়াবাড়ি করিতে লাগিল। যাহাকে দুৰ্য্যোধন করিয়াছিলাম। সে ভানুমতীকে ক্লাসের মধ্যেই ‘প্ৰেয়সী’ বলিয়া ডাকিতে লাগিল, এবং তাহার কণ্ঠলিঙ্গন প্ৰভৃতি করিতে লাগিল, ইত্যাদি। এই সব কারণে পণ্ডিত মহাশয়দিগের আপত্তি প্ৰবল হইয়া উঠিল। আমি ইহার মধ্যে আছি। জানিয়া তাহারা এক দিন আমাকে ডাকিয়া পাঠাইলেন। আমি গিয়া দেখি যে, সভাতে আমাদের প্রিন্সিপাল, বড় বড় অধ্যাপকগণ, আমার মাতুল মহাশয়, ও অপরাপর পণ্ডিতগণ সকলেই সমাসীন আছেন। আমি ত দেখিয়াই কঁাপিয়া গেলাম। দণ্ডাহঁ অপরাধীর ন্যায় তাহদের সম্মুখে ভয়ে ভয়ে দাড়াইলাম। প্রিন্সিপাল সৰ্ব্বাধিকারী মহাশয় তাহদের মুখপাত্ৰস্বরূপ হইয়া বলিলেন, “আমাদের