পাতা:আত্মচরিত (৩য় সংস্করণ) - শিবনাথ শাস্ত্রী.pdf/২০৫

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


tyఆసి, గిరి ] দ্বারকানাথ গাঙ্গুলীর সহিত মিলন S) করিবার চেষ্টা করিতাম ; প্রত্যেকের সুখে সুখী, দুঃখে দুঃখী হইবার চেষ্টা করিতাম ; সংক্ষেপে বলিতে গেলে, আচাৰ্য্যের দায়িত্ব অনেকটা অনুভব করিতাম। এই দায়িত্বজ্ঞানই আমাকে ফুটাইয়াছে। ক্ৰমে সেই ক্ষুদ্র উপাসক মণ্ডলীর সকলের সঙ্গে ভালবাসা জন্মিয় গেল। সে সম্বন্ধ বহু কাল রহিয়াছে। গোপালচন্দ্ৰ মল্লিক, নেপালচন্দ্ৰ মল্লিক, সিন্দুরিয়াপটী পরিবারের দুই ভাই যত দিন জীবিত ছিলেন, আমাকে বিধিমতে নানা বিষয়ে সাহায্য করিয়াছেন । শেষে সাধারণ ব্ৰাহ্মসমাজ স্থাপিত হইলে গোপালচন্দ্ৰ মল্লিক। আমাদের সঙ্গে সঙ্গে ইহাতে প্রবেশ করেন ও ব্রাহ্ম মতে বিবাহ করিয়া স্বীয় পিতা কর্তৃক পরিত্যক্ত হন। তাহার পিতা স্বৰ্গীয় মণিলাল মল্লিক' আদি সমাজভুক্ত ব্ৰাহ্ম ছিলেন। তিনিই ঐ পারিবারিক সমাজ স্থাপন করেন। পুত্রের জন্ম।—১৮৭১ সালের ১৪ই আষাঢ় আমার পুত্র প্রিয়নাথের ङनृा श्श । দ্বারকানাথ গাঙ্গুলীর সহিত মিলন।—এই সময়ের একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা, অবলাবান্ধব সম্পাদক ব্ৰাহ্মসমাজে সুপরিচিত দ্বারক নাথ গঙ্গোপাধ্যায়ের সহিত মিলন। তখন ঢাকা সমাজ সংস্কারের প্রধান ক্ষেত্ৰ হইয়া উঠিয়াছিল। এই সময়ে “মহাপাপ বাল্যবিবাহ” নামে এক পত্রিকা ঢাকা হইতে বাহির হয় ; তাহাতে সেখানকার যুবক দলের উপরে আমাদের অতিশয় শ্রদ্ধা জন্মে। এই রঙ্গভূমিতে অবলাবান্ধব দেখা দিল। আমরা ভাবিলাম, এ কে বঙ্গদেশের এক কোণ হইতে নারীকুলের হিতৈষী হইয়া দেখা দিল ? 'অবলাবান্ধবের সম্পাদককে তখন চিনিতাম না, কিন্তু তঁহার তাজা তাজা কথা প্ৰাণ হইতে আসিতেছে বোধ হইত, ও আমাদের বড় ভাল লাগিতা। ক্রমে ঢাকার প্রসিদ্ধ ডেপুটি ম্যাজিষ্ট্রেট অভয়চরণ দাসের পুত্ৰ প্ৰাণকুমার দাস এক বার কলিকাতায় আসিয়া আমাকে ও অপরাপর কয়েক জনকে তাহার লেখক শ্রেণীভুক্ত করিয়া