পাতা:আত্মচরিত (৩য় সংস্করণ) - শিবনাথ শাস্ত্রী.pdf/২৪৭

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


»१8-१७] বঙ্গমহিলা বিদ্যালয় । R o'r সহিত দ্বারকানাথ গাঙ্গুলী, দুর্গামোহন দাস, রজনীনাথ রায়, অন্নদাচরণ খাস্তগির প্রভৃতি এক দল ব্রাহ্মের কিরূপ মতভেদ দাড়াইয়াছিল, তাহার বিবরণ অগ্ৰেই দিয়াছি। দ্বারকানাথ গাঙ্গুলীর দল ভারত আশ্রমের পূর্বোক্ত মহিলা বিদ্যালয়ে সন্তুষ্ট না হইয়া মহিলাদের উচ্চ শিক্ষার উদ্দেশ্যে আর একটি স্কুল স্থাপন করিতে অগ্রসর হইলেন। বঙ্গমহিলা বিদ্যালয়।—প্রথম তাহারা হিন্দু মহিলা বিদ্যালয় নামে একটি বিদ্যালয় স্থাপন করিলেন। বিলাত হইতে নবাগত কুমারী এক্রয়েড v> ইহার তত্ত্বাবধায়িকা হইলেন। কয়েক বৎসরের মধ্যে কুমারী এক্রয়েড বিবাহিত হওয়াতে, ঐ বিদ্যালয় বঙ্গমহিলা বিদ্যালয় নামে পরিবত্তিত হইয়া কিছু দিন পরে বেথুন কলেজের সহিত মিলিত হয়। বালিগঞ্জে একটি বাড়ী ভাড়া করিয়া এই স্কুল খোলা হইল। গাঙ্গুলী ভায়া নিজে এক জন শিক্ষক হইলেন। শিক্ষক কেন, তিনি দিন রাত্ৰি বিশ্রাম না জানিয়া ঐ স্কুলের উন্নতি সাধনে দেহ মন নিয়োগ করিলেন। আমি ভবানীপুরে আসিয়া দেখিলাম যে ঐ স্কুল চলিতেছে। গাঙ্গুলী ভায়া ছাড়িবার লোক ছিলেন না । আমি তঁহাকে অন্তরের সহিত প্রীতি ও শুদ্ধা করিতাম। এমন সাচ্চ সত্যানুরাগী লোক আমি অল্পই দেখিয়াছি। পূর্বেই বলিয়াছি, গাঙ্গুলী ভায়া স্ত্রী-স্বাধীনতার নেতা ছিলেন। আমি স্ত্রী-স্বাধীনতার ভাবটা তার মত’ না লই, স্ত্রী জাতির উন্নতি হয়। ইহা অন্তরের সহিত চাহিতাম। আমি ভবানীপুরে আসিলেই গাঙ্গুলী ভায়৷ আমাকে ছিনা জোকের মত ধরিয়া বসিলেন যে, আমার কন্যা হেমলতাকে বঙ্গমহিলা বিদ্যালয়ে দিতেই হইবে। সুতরাং হেমলতাকে বঙ্গমহিলা বিদ্যালয়ে দিলাম। প্রচারকগণের কাৰ্য্যের বিচার হইতে পারে কি না ?-- এই সময়ে আর এক আন্দোলন উঠিল। আমার হরিনাভি বাস কালের মধ্যে কেশব বাবুর প্রতিষ্ঠিত ভারত আশ্রমে এক ঘটনা ঘটে। ঐ সময়ে আমার স্বগ্রামবাসী ব্ৰাহ্ম ভ্ৰাতা হরনাথ বসু মহাশয় সপরিবারে ভারভ \)8