পাতা:আত্মচরিত (৩য় সংস্করণ) - শিবনাথ শাস্ত্রী.pdf/২৬৭

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


••१७, ११ ] থাকিমণি। RRA থাক:মাণি —এই সময়ের উল্লেখযোগ্য। আর দুইটি ঘটনা আছে। আমি যে লক্ষ্মীমণিকে স্বীয় ভবনে আশ্রয় দান করিয়াছিলাম, সে সংবাদ বোধ করি কলিকাতায় প্রচারিত হইয়াছিল। এই দুইটি ঘটনাই পরোক্ষ ভাবে সে সংবাদের সহিত জড়িত । এক দিন আমার বন্ধু প্রচারক রামকুমার বিদ্যারত্ন ও আমি দুই জনে মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথের চরণ দর্শন কবিয়া গৃহে ফিরিয়া আসিতেছি। রাজেন্দ্রলাল মল্লিকের বাড়ীর সম্মুখে আসিবার সময় একটি স্ত্রীলোকের পাশ্ব দিয়া আসিলাম, কিন্তু তত লক্ষ্য করিলাম না ; তাহার মুখটা দেখিলাম না। তাহাকে অতিক্রম করিয়া কয়েক পা আসিয়াছি, এমন সময় পশ্চাৎ হইতে বামাকণ্ঠে শুনিলাম, “হা গা শাস্ত্রী মশাই, তোমরা এখন কোথা থাক ?” হঠাৎ ফিরিয়া দেখি, একটি গৌরবর্ণ যুবতী একটি শিশু কন্যার হাত ধরিয়া আসিতেছে। মুখ দেখিয়া চিনিতে পারিলাম। ভবানীপুর বাস কালে আমি এক নিৰ্জন পল্লীতে বাস করিতাম ; ঐ পতিতা নারী তাহার সন্নিকটেই থাকিত, ও আমাদের মেয়েদের সঙ্গে এক পুকুরে স্নানাদি করিত। সে যে আমাকে চিনিয়া রাখিয়াছে ও আমার নাম জানে, তাহা জানিতাম না । যাহা হউক, আমি ফিরিয়া তাহার মুখের দিকে চাহিবামাত্র সে হাসিয়া বলিল, “তোমার সঙ্গে আমার একটু বিশেষ কাজ আছে। তোমার বাসা কোথায় বললে আমি গিয়ে দেখা করতে পারি ; নতুবা আমার বাসা অমুক নম্বর শিব ঠাকুরের গলি, সেখানে তোমাকে এক বার আসতে হবে।” ইহার পর বিদ্যারত্ন ভায়া ও আমি দুই জনে বলাবলি করিতে লাগিলাম, “আমাকে যখন জানে, তখন আমি কি তন্ত্রের লোক তাও জানে। আমার সঙ্গে ওর কি কাজ ?” কিছুই নিৰ্দ্ধারণ করিতে পারিলাম না, বড়ই আশ্চৰ্য্য বোধ হইল। আসিয়া আমার বন্ধু কেদার নাথ রায়কে এই বিবরণ বলিলাম। তিনি এক সময়ে এই শ্রেণীর স্ত্রীলোক