পাতা:আত্মচরিত (৩য় সংস্করণ) - শিবনাথ শাস্ত্রী.pdf/২৯০

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


R87 শিবনাথ শাস্ত্রীর আত্মচারিত [ ১১শ পরিঃ আমাদের বন্ধু গোষ্ঠীতে এই পরামর্শ স্থির হইল যে, এই মহা বাত্যার মধ্যে কাণ্ডারীর কাজ করিবার জন্য সমাজের বিশিষ্ট কতিপয় ব্যক্তিকে লইয়া ‘ব্রাহ্মসমাজ কমিটি” নামে একটি কমিটি নিয়োগ করা ভাল। তঁহার লোকের ভাব অবগত হইবেন, তঁহার কৰ্ত্তব্য নিৰ্দ্ধারণ করিবেন, তঁহারা আন্দোলনকে চালাইবেন । এই কমিটি নিয়োগের মানসে আমরা মীটিং করিবার জন্য কেশব বাবুর নিকট ২৩শে ফেব্রুয়ারী এলবাট হল চাহিলাম, কারণ তিনি উহার সম্পাদক ছিলেন। তিনি অনুমতি দিলেন ; কিন্তু আমরা মীটৎ করিতে গিয়া দেখি যে গ্যাস জালিবার হুকুম নাই। কারণ শোনা গেল যে, এলবাট হল ব্যবহার করিতে চাওয়াতে কেশব বাবু তাহার সম্পাদক রূপে সভা করিবার অধিকার দিয়াছেন, কিন্তু গ্যাসের আলো ব্যবহার করিবার অধিকার না চাওয়াতে তাহা দেন নাই। ইহা লইয়া মহা বিভ্ৰাট উপস্থিত হইল। শত শত ভদ্রলোক উপস্থিত, যত দূর স্মরণ হয়। কতিপয় নারীও তার মধ্যে ছিলেন। সভা স্থলে সমাগত লোকেরা অন্ধকারে বসিবার স্থান নির্দেশ করিতে পারেন না । সভার উদ্যোগকর্তৃগণ ব্যস্ত হইয়া পড়িলেন। তাড়াতাড়ি বাজার হইতে বাতি কিনিয়া আনা হইল। কিন্তু অপর পক্ষীয় কতকগুলি যুবক এত চীৎকার ও গালাগালি করিতে লাগিল যে, মীটং করিতে পারা গেল না। তৎপরে ২৮শে ফেব্রুয়ারী টাউন হলে ব্ৰাহ্মদের মীটং করিয়া “ব্ৰাহ্মসমাজ কমিটি’ नेिci१ों कड़ों श् । এই ‘ব্ৰাহ্মসমাজ কমিটি’র নিয়োগ সম্বন্ধে একটি কথা স্মরণ আছে। রিজোলিউশনটি লিখিবার সময় কোনও কোনও বন্ধু এমন কঠিন ভাষা ব্যবহার করিতে চাহিলেন, যাহা ব্যবহার করার পর, আর কেশব বাবুর সহিত একত্র থাকা সম্ভব নয়। আমি ও আনন্দমোহন বাবু তাহাতে আপত্তি করিয়া বলিলাম, “আমরা এখনও এমন কথা বলিতে পারি না যে কেশব বাবুকে ছাড়িবই, সুতরাং এমন কথা লেখা হইবে না। যাহাতে