পাতা:আত্মচরিত (৩য় সংস্করণ) - শিবনাথ শাস্ত্রী.pdf/৩০৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ᏱᎨᏄᎭ ] তত্ত্বকৌমুদী প্ৰকাশ ও পরিচালন Syd সংস্কৃত পড়িবার বন্দোবস্ত করা আর সম্ভব হইল না ; তাহদের জন্য একটি সমাজ স্থাপন অবশিষ্ট রহিল ; তাহ ১৮৭৯ সালে করা হইয়াছিল।* সাধারণ ব্ৰাহ্মসমাজ স্থাপিত হইলেই নানা কারণে আমার শ্রম অতিশয় বাড়িয়া গেল। প্রথমতঃ, ইহার অগ্ৰণী ব্যক্তিগণ ইহার নিয়মাবলী প্রণয়নে ও মফঃসল সমাজ সকলের সহিত সম্বন্ধ স্থাপনে ব্যস্ত হইলেন। এ কাজে তাঁহাদের সঙ্গে পূর্ণ মাত্রায় থাকিতে হইত। দ্বিতীয়তঃ, ইংরাজী সাপ্তাহিক পত্ৰ ব্ৰাহ্ম পাবলিক ও পিনিয়নের ব্ৰাহ্মধৰ্ম্ম ও ব্রাহ্মসমাজ বিষয়ক প্ৰবন্ধাদি লিখিবার ও সহকারী সম্পাদকতা করিবার, এবং তত্ত্বকৌমুদী পত্রিকার সমগ্র সম্পাদকতা করিবার, ভার লইতে হইল। তত্ত্বকৌমুদী প্ৰকাশ ও পরিচালন —এই ‘তত্ত্বকৌমুদী’র প্ৰকাশ ও পরিচালনের ভার আমার উপরেই পড়িয়াছিল। আমরা কয়েক মাস পূর্বে সমালোচক নামে যে কাগজ বাহির করিয়াছিলাম, এবং যাহা বন্ধুগণ আমার হাত হইতে কাড়িয়া লইয়া বন্ধুবর দ্বারকনাথ গঙ্গোপাধ্যায়ের হস্তে দিয়াছিলেন, তাহাকে নবপ্রতিষ্ঠিত সাধারণ ব্ৰাহ্মসমাজের মুখপত্র করা উচিত বোধ হইল না। সে নামটা ভাল লাগিল না, এবং যে ভাবে তাহ চলিতেছে তাহারও পরিবর্তন আবশ্যক বোধ হইল। তাই তাহার সম্পূর্ণ দায়িত্ব এক জন ব্ৰাহ্ম বন্ধুকে দিয়া, আমরা নবপ্রতিষ্ঠিত সমাজের নামে এক নূতন কাগজ বাহির করিতে প্রবৃত্ত হইলাম। নূতন কাগজের নাম কি হয়, কি হয়, ভাবিতে ভাবিতে আমার মনে হইল, মহাত্মা রাজা রামমোহন রায় এক কাগজ বাহির করিয়াছিলেন, তাহার নাম ছিল ‘কৌমুদী’ ; আদি সমাজের কাগজের নাম “তত্ত্ববোধিনী” ; ভারতবর্ষীয় ব্ৰাহ্মসমাজের কাগজের নাম ‘ধৰ্ম্মতত্ত্ব” । শেষোক্ত দুই কাগজ হইতে “তত্ত্ব’ এবং রাজা রামমোহন রায়ের ‘কৌমুদী’ লইয়া আমাদের কাগজের নাম হউক ‘তত্ত্বকৌমুদী’। k AC3ts %sättgt C12 * ২৪৯ পৃষ্ঠা দেখ।