পাতা:আত্মচরিত (৩য় সংস্করণ) - শিবনাথ শাস্ত্রী.pdf/৩৬৪

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


७०७७ শিবনাথ শাস্ত্রীর আত্মচারিত [ ১৫শ পরিঃ বলিয়া নিৰ্দ্ধারণ করে, এবং তােহ লইয়া মহা তর্ক বিতর্ক উপস্থিতঙ্ক श् । “काव्'िद्र ছোয়া জলে সুদান করার ফল -এক দিন প্ৰাতঃকালে আমার সঙ্গে বিধবাবিবাহের বৈধতা বিষয়ে বিচার করিবার জন্য এক দল পণ্ডিত আসিয়া উপস্থিত হইলেন। তঁহারা সংস্কৃতে কথা কহিতে লাগিলেন। তঁহাদের সংস্কৃতের উচ্চারণ শুনিয়া আমাদের বঙ্গদেশীয় উচ্চারণ প্ৰণালীর প্রতি ঘূণা জন্মিতে লাগিল। তৎপূর্বে আমার সংস্কৃতে কথা কহা অভ্যাস ছিল না, সুতরাং সংস্কৃতে কথা কহিতে আমার একটু বাধ বাধা করিতে লাগিল। যাহা হউক, এক প্রকার বিচার চলিল । ইতিমধ্যে এক ঘটনা উপস্থিত। রামকৃষ্ণিয়ার চাকর আমার মানের জল আনিতেছে। আমি দেখিলাম, তাহাকে দেখিয়াই সমাগত ব্ৰাহ্মণের পরস্পর ইসারা, গা টেপাটপি, কানে কানে ফুল ফুস করিতে লাগিলেন। তাহার অর্থ আমি কিছুই বুঝিতে পারিলাম না। কিয়ৎক্ষণ পরেই তঁাহারা । আমি উঠিয়া বারানদায় দাড়াইয়া স্নান করিতেছি দেখিয়া সমবেত ব্ৰাহ্মণের বিরক্ত হইয়াছেন, এবং আমাকে সহর হইতে তাড়াইবার জন্য সদলে রামকৃষ্ণিয়ার নিকট যাইতেছেন । আমি হাসিয়া বলিলাম, কামটির আনীত জলে স্নান করি ব’লে এত আন্দোলন, আমি তঁহাদের অন্ন খাই তা বুঝি তঁাহারা জানেন না !” ইহার পরে ব্ৰাহ্মণগণ সদলে রামকৃষ্ণিয়া রেচারার ঘাড়ে গিয়া পড়িলেন ; রামকৃষ্ণয় আপনাকে বিপন্ন বোধ করিতে লাগিলেন। তিনি আমাকে 'নিমন্ত্রণ করিয়া মান্দ্ৰাজ হইতে আনাইয়াছিলেন, সুতরাং আমাকে