পাতা:আত্মচরিত (৩য় সংস্করণ) - শিবনাথ শাস্ত্রী.pdf/৩৭২

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


SDSR 8 শিবনাথ শাস্ত্রীর আত্মচারিত [ ১৫শ পরিঃ পরীক্ষা করিয়া সন্তুষ্ট হইলাম। তাহার জননী তাহাকে আমার ਸ਼ੈਸ਼ কলিকাতায় আনিয়া তাহার বিবাহ দিবার জন্য অনেক অনুরোধ করিলেন ; কিন্তু তখনও আমাকে অনেক স্থানে যাইতে হইবে বলিয়া আমি তাহা করিতে পারিলাম না । কয়েক বৎসর পরে বাঙ্গালোরে আবার গিয়া মেয়েটির বিষয়ে অনুসন্ধান করিতে প্ৰবৃত্ত হইলে লোকে বলিল যে, তাহার মার মৃত্যু হইয়াছে, এবং মেয়েটি খারাপ হইয়া গিয়াছে। শুনিয়া বড় দুঃখ হইল। মনে করিলাম, কেন মেয়েটিকে সঙ্গে করিয়া আনি নাই, তাহা হইলে ত তাহাকে পাপ হইতে মুক্ত রাখিতে পারিতাম। এই সংবাদে তাহার অনুসন্ধান ত্যাগ করিয়া রহিয়াছি, এমন সময়ে এক দিন সমাগত ভদ্রলোকদিগের সহিত কথোপকথন করিতেছি, তখন ভূত্য আসিয়া সংবাদ দিল যে, “একটি ভদ্রলোকের মেয়ে আপনার সহিত দেখা করিতে চাহিতেছে।” পাশ্বের ঘরে গিয়া দেখি কমলাম্মা অর্থাৎ কমলিনী উপস্থিত। তখন ২২২৩ বছরের মেয়ে। আমাকে দেখিবামাত্ৰ সে আমার পায়ে কতকগুলি ফুল রাখিয়া আমার পায়ে পড়িয়া প্ৰণিপাত করিল, এবং আপনার পতি বলিয়া এক জন শূদ্র জাতীয় ভদ্রলোককে আমার সহিত পরিচয় করিয়া দিল। ক্রমে শুনিলাম, তাহার জননীর শেষাবস্থাতে ঐ শূদ্র জাতীয় ভদ্রলোকের সহিত তাহার বিবাহ হইয়াছে। তাহার মাতার অভিভাবক সেই প্ৰাচীন ব্ৰাহ্ম ভদ্রলোকটি সে বিবাহ দিয়াছিলেন। ঐ বিবাহ অতি গোপনে হইয়াছিল বলিয়া লোকে জানে না। এই বিবাহের জন্য তাহার পতিকে স্বীয় সমাজে জাতিচু্যত হইতে হইয়াছে, ইত্যাদি। শুনিয়া আনন্দিত হইলাম। এই বিষয়টি নূতন ধরণের বলিয়া স্মরণ আছে। ইহার পরে আর তাহার সঙ্গে দেখা হয় नांदेरे । মান্দ্ৰাজে। দ্বিতীয় বার।--আমি মে মাসে মান্দ্ৰাজ ভ্ৰমণ হইতে