পাতা:আত্মচরিত (৩য় সংস্করণ) - শিবনাথ শাস্ত্রী.pdf/৪২২

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


৩৭ • শিবনাথ শাস্ত্রীর আত্মচরিত-.. . . [ ১৭শ পরিঃ দেখিলাম, শিক্ষিত দেশহিতৈষী ব্যক্তিদিগের মনে, নিম্ন শ্রেণীর মধ্যে শিক্ষা বিস্তারের উৎসাহ অতিশয় প্রবল। তাহার ফলস্বরূপ ঐ শ্রেণীর মানুষের মনে জ্ঞানস্পৃহা দিন দিন বাড়িতেছে, এবং তাহদের ব্যবহারের জন্য চারি দিকে অসংখ্য ছোট ছোট পুস্তকালয় স্থাপিত হইয়াছে। প্ৰায় প্ৰত্যেক রাজপথে দুই দশখানি বাড়ীর পরেই একটি ক্ষুদ্র পুস্তকালয়। নিম্ন শ্রেণীর মানুসেরা সেখানে নামমাত্র কিছু পয়দা জমা দিয়া সপ্তাহে সপ্তাহে বই লইয়া যাইতেছে ও ঘরে গিয়া বসিয়া পড়িয়া সে পুস্তক আবার ফিরাইয়া দিতেছে। ইহার অনেক পুস্তকালয় দোকান ঘরের মধ্যে। দোকানদার অপরাপর জিনিসের ব্যবস্থা করিতেছে, সেই সঙ্গে এক পাশে একটি পুস্তকালয় রাখিয়াও কিছু উপাৰ্জন করিতেছে। ইচ ভিন্ন স্বল্প মূল্যে বিক্রেয় ব্যবহৃত পুস্তকের দোকান অগণ্য। এইরূপ একটি পুস্তকালয়-বিশিষ্ট দোকানে গিয়া এক দিন যাহা দেখিলাম ও শুনিলাম, তাহ মনে রহিয়াছে । আমি দোকানে অন্য কাজে গিয়| দেখি, এক পাশ্বে দুইটি আলমারিতে কত কগুলি পুস্তক রহিয়াছে। মনে . করিলাম, পুস্তক গুলি স্বল্প মূল্যের ব্যবহৃত পুস্তক। জিজ্ঞাসা করিলাম, এ সব পুস্তক কি বিক্রয়ের জন্য ? উত্তর । না, এটা সাকুলেটিং লাইব্রেরি। আমি। এ সব পুস্তক কারা লয় ? DDDBDS BB BDDDD DDSS0B BSYBBS আমি। আমি কি বই লইতে পারি ? উত্তর। হা পারেন, এ ত সাধারণের জন্য। তার পর আমি একখানি ৬৭ টাকা দামের বই লইয়া, দুই আনা পয়সা জমা দিয়া ও আমার নাম ও বাড়ীর ঠিকানা লিখিয়া রাখিয়া আসিলাম । আবার সপ্তাহান্তে বইখানি ফেরৎ দিয়া, আবার দুই আনা দিয়া আর একখানি বই লইয়া আসিলাম। এইরূপ তিন চারি সপ্তাহের পর