পাতা:আত্মচরিত (৩য় সংস্করণ) - শিবনাথ শাস্ত্রী.pdf/৪৯৬

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


総3● दिनांश भांौद्ध उत्रांप्रुष्काशिऊ [ ২২শ পরি; এই সঙ্গীত যখন হইতে লাগিল, তখন দীর দীর ধারে নবীন বাবুর চক্ষে প্রেমাশ্র বিগলিত হইতে লাগিল ; মুখ মণ্ডল এক অপূর্ব জ্যোতিতে পূর্ণ হইল। আমরা কি দেখিলাম । নবীনচন্দ্রে এমন কিছু ছিল, যাহা দেখিয়া স্বদেশী বিদেশী সকলেই তাহাকে শ্রদ্ধা করিতে বাধ্য হইত। শুনিয়াছি, এই বিবরণ যখন কাগজে বাহির হইল, তখন তাহা দেখিয়া খাণ্ডোয়ার ডেপুটি কমিশনার সাহেব নাকি বলিয়াছিলেন, “আমি বিশ্বাস করি, নবীনচন্দ্ৰ স্বচক্ষে স্বৰ্গধাম দেখিয়াছিলেন ।” যাহা হউক, ইহার পর যে দুই দিন তিনি বাচিয়া ছিলেন, সে দুই দিন কেবল স্বীয় পত্নীকে সাস্তুনা দিবার প্রয়াস পাইয়াছিলেন। মৃত্যুর অব্যবহিত পূর্বে পত্নীকে বলিলেন, “মহব্বাৎসে মিলকর হমেশা য়াহঁ রহ না,” অর্থাৎ প্ৰেমে মিলিত হইয়া চিরদিন ইহাদের কাছে থাকিও । এই তার স্ত্রীর প্ৰতি শেষ উপদেশ। ইহার শেষ শ্বাস যখন যায়, তখন আমরা ভগবানের নাম কীৰ্ত্তন করিতে লাগিলাম। দেখিলাম, তিনি হাত দুই খানি জুড়িয়া বক্ষের উপরে লাইলেন, এবং ঈশ্বরকে ধন্যবাদ করিতে করিতে শেষ বিদায় গ্ৰহণ করিলেন। পরিবার পরিজনকে দেখিবার ভার আমার উপর দিয়া গেলেন । মান্দ্ৰাজ প্রদেশে প্রচার যাত্ৰা ।-নবীনচন্দ্রের স্বৰ্গারোহণের পর আমি এক বার ধৰ্ম্ম প্রচারার্থ মান্দ্ৰাজ প্রেসিডেন্সিতে গমন করি । ৪ঠা অক্টোবর ১৮৯০ মান্দ্ৰাজ পহুছিয়া, তথা হইতে ১৪ই অক্টোবর কোইম্বা টুর, ও ২১শে অক্টোবর পশ্চিম মালাবার উপকূলস্থিত কালিকট নগরে যাই । কালিকটে গিয়া যাহা শুনিলাম তাহাতে আশ্চৰ্য্যান্বিত হইয়া গেলাম । সেখানে প্ৰবাদ যে মালাবার উপকূলে স্বয়ং পরশুরাম ব্ৰাহ্মণদিগের রাজত্ব স্থাপন করিয়াছিলেন। সেখানে নাম্বুরী সম্প্রদায়ভুক্ত ব্ৰাহ্মণগণের অসীম প্ৰভুত্ব। আর এক শ্রেণীর লোক আছেন, স্পর্তাহাদের নাম নায়র।