পাতা:আত্মচরিত (৩য় সংস্করণ) - শিবনাথ শাস্ত্রী.pdf/৫০৬

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


88切* শিবনাথ শাস্ত্রীর আত্মচারিত [ ২৩শ পরিা: তাহাতে স্বতঃপ্রবৃত্ত হইয়া লোকে যাহা দিত, তাহা দ্বারাই नभूर्ती ব্যয় চলিয়া যাইত। গুরুদাস সর্বত্যাগী হইয়া আসিলেন। তৎপরে শ্ৰীযুক্ত কাশীচন্দ্র ঘোষাল নামে বিক্রমপুরের এক জন ব্রাহ্ম তাহার জুতার দোকান তুলিয়া দিয়া আসিলেন। ক্রমে ক্রমে আরও অনেকে আসিলেন। ইহার মধ্যে অনেকে আবার চলিয়া গিয়াছেন। আশ্রম ভিন্ন ভিন্ন বাড়ীতে থাকিয়া অবশেষে সমাজ পাড়াতে সমাজের নিৰ্ম্মিত প্রচারক ভবনে প্রতিষ্ঠিত হইল ; এবং অদ্যাবধি সেইখানেই আছে । “আশ্রমের ইতিবৃত্ত” নামে একখানি হস্তলিখিত পুস্তক আছে, তাহাতে ইহার অনেক আশ্চৰ্য্য ঘটনার বিবরণ পাওয়া যাইবে বলিয়া এখানে আর অধিক লিখিলাম না। কেবল কয়েকটি বিশেষ ঘটনার উল্লেখ করিতেছি। আশ্রম যখন স্থাপিত হইল, তখন আমার হাতে একটি পয়সা ছিল না। এমন কি, বসিয়া লিখিবার জন্য যে একখানি চেয়ার ও ডেস্ক কিনি, সে পয়সারও অভাব ছিল। অথচ আশ্রম স্থাপনের উপাসনাতে যে সকল বন্ধু আসিয়াছিলেন, তাহদের কাহারও কাছেও কিছু চাহিলাম না। মনে এই ভাব ছিল, এ কাৰ্য্য যদি জগদীশ্বরের অভিপ্রেত হয়, সাহায্য আপনি আসিবে, স্বতঃপ্রবৃত্ত দানের দ্বারা চলিবে । আশ্চৰ্য্যের বিষয় এই, দুই দিন যাইতে না যাইতে ইংলণ্ড হইতে প্রফেসার ফ্রান্সিস নিউম্যানের প্রেরিত ১৫২ পািনর টাকা আসিয়া উপস্থিত। তিনি লিখিয়াছেন, “তুমি ব্ৰাহ্মসমাজের যে কাজে ব্যয় করিতে চাও, করিও।” তাহা দিয়া একটি ডেস্ক, এক খানি চেয়ার ও অত্যাবশ্যক যাহা কিছু প্রয়োজন ছিল, তাহা কেনা হইল। এই ভাবাপন্ন হইয়াই, যে বালকটির হাতে বাড়ীতে বাড়ীতে বাক্স পাঠাইয়াছিলাম, তাহাকে বলিয়া দিয়াছিলাম, “কাহারও নিকট বিশেষ ভাবে কিছু চাহিবে না। কেবল বাক্সটি লইয়া বাড়ীতে বাড়ীতে গিয়া দাড়াইবে, স্বতঃপ্রবৃত্ত হইয়া,