পাতা:আত্মচরিত (৩য় সংস্করণ) - শিবনাথ শাস্ত্রী.pdf/৫০৭

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ovao-Sa ot qrieqa 88ଳ যিনি যাহা দিবেন লাইবে।” এইরূপ করিয়াই চারি দিক হইতে जांशषJ পাওয়া গিয়াছিল । আশ্রম সংক্রান্ত আর একটি ঘটনা চিরস্মরণীয়। ১৮৯২ সালের ১লা ফেব্রুয়ারী আশ্রম প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৮৯৩ সালের মাঘোৎসবে ১২ই মাঘ প্ৰাতঃকালে সাধনাশ্রমের উৎসব হইবে, এবং আমাকে লইয়া সাত জন পরিচারক বিধি পূর্বক নিযুক্ত হইবেন, এই স্থির ছিল। এই নিয়োগ কাৰ্য্য নির্বাহের জন্য আমরা মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথকে নিমন্ত্রণ করি। তিনি দয়া করিয়া সম্মত হন। আমি সংক্ষেপে উপাসনা কাৰ্য্য সম্পন্ন করিম। বেদী হইতে অবতরণ করিলে, কিয়ৎক্ষণ সঙ্গীত চলিতে থাকে। ইহার পর মহৰ্ষি আসিয়া তঁহার জন্য রচিত নূতন বেদীতে আসন গ্ৰহণ করেন। একটি সঙ্গীতের পর আমি সাধনাশ্রম ও সাধক মণ্ডলীর অনুষ্ঠানপত্ৰ পাঠ করি। তৎপরে আমরা সাত জন একে একে আমাদের ব্ৰতাপত্ৰ পাঠ করি ; এবং মহর্ষিদেব একে একে আমাদের সাত জনের মাথায় হাত দিয়া তাহার আশীৰ্ব্বাদ বাণী পাঠ করেন। তৎপরে তিনি চলিয়া গেলে উপাসনার শেষাংশ সম্পন্ন হয়। সে দিন আমার উপদেশের বিষয় ছিল, “জীবন বিনা সত্যের শক্তি হয় না।” সে দিন এইরূপ একটি ভাবের আবির্ভাব হইল যে, সমাগত বন্ধুগণের নিকট দানের উপযুক্ত যে কিছু ছিল, সকলে আশ্রমের জন্য দান করিতে লাগিলেন। এমন কি, অবশেষে চারি দিক হইতে আমার মস্তকের উপর পুরুষদিগের গায়ের শাল, দামী পট্টবস্ত্ৰ, মহিলাদের বালা, চুড়ী, গলার হার প্রভৃতি পড়িতে লাগিল। তাহা বিক্রয় করিয়া পরে অনেক শত টাকা হইয়াছিল। এইরূপ স্বতঃপ্ৰবৃত্ত দানের দ্বারা সাধনাশ্রম চিরদিনই চলিয়া আসিয়াছে। সাধনাশ্রমের ইতিবৃত্ত দেখিয়া বন্ধুগণ জগদীশ্বরকে ধন্যবাদ করিবার যথেষ্ট কারণ পাইবেন । তিনি যে ইহার অর্থাভাব পুরাণ করিয়া আসিয়াছেন, কেবল তাহা নহে ; ইহার দ্বারা আকৃষ্ট হইয়া RR9