পাতা:আত্মচরিত (৩য় সংস্করণ) - শিবনাথ শাস্ত্রী.pdf/৫১১

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


১৮৯১-১৯০৮ ] উপাসক মণ্ডলীর দায়ী স্থায়ী আচাৰ্য্য “8@為 আশ্রমের প্রতিষ্ঠা কর্ঘ্যে ব্যস্ত ছিলাম, সেই সমকালেই সীতানাথ নদী নামে এক ব্ৰাহ্ম যুবক আমার নিকট ব্ৰাহ্ম বালকদিগের জন্য একটি বোর্ডিং স্কুল স্থাপনের আবশ্যকতার উল্লেখ করেন। আমি বলি, “তোমরা কাৰ্য্যে প্ৰবৃত্ত হও, আমি পশ্চাতে আছি।” তিনি বলেন, “আপনি যদি সম্পাদক বলিয়া নাম দেন, তাহা হইলে আমরা কাৰ্য্যে প্ৰবৃত্ত হইতে পারি।” আমি সম্পাদক রূপে নাম দিতে স্বীকৃত হই, এবং ঐ কাৰ্য্যের দায়িত্ব নিজের শিরে গ্ৰহণ করি। সীতানাথের তত্ত্বাবধানে বোডিং স্থাপিত হয়। ক্রমে অনেকগুলি বালক জোটে । দুঃখের বিষয়, ইহার অল্প দিন পরেই সীতানাথ নন্দীর মৃত্যু হয়। তঁহার মৃত্যু হইলে আমি বোর্ডিঙের ভার সাধনাশ্রমের পরিচারক গুরুদাস চক্ৰবৰ্ত্তীর প্রতি অৰ্পণ করি। সতীশচন্দ্ৰ চক্ৰবৰ্ত্তী নামক এক জন পূর্ববঙ্গীয় যুৱক আসিয়া আশ্রমে যোগ দেন, এবং ব্রাহ্মবালক বোর্ডিঙে গুরুদাস বাবুর সহকারী হন। তঁহাদের তত্ত্বাবধানে বোর্ডিং কিছু দিন চলে। তৎপরে গুরুদাস বাবু প্রভৃতি কলিকাতা ত্যাগ করিয়া আরাতে, ও সেখান হইতে বঁকিপুরে গমন করেন, এবং সেখানে শাখা সাধনাশ্রম স্থাপন করেন। তখন ব্ৰাহ্ম বালক বোর্ডিঙের ভার শ্রদ্ধেয় গুরুচরণ মহলানবিশ মহাশয়ের প্রতি আপিত হয়। অনেক বালকের দেয় অনাদায় থাকাতে গুরুদাস বাবুৱা বাজারে প্রায় ৫০০ পাঁচ শত টাকা দেন। রাখিয়া যান, তাহা আমাকে দিতে হয়। মহলানবিশ মহাশয়ের হাতে সে বোর্ডিংটি উঠিয়া যায়। কিন্তু তিনি আবার একটি ব্ৰাহ্ম বালক , বোর্ডিং ও স্কুল স্থাপন করিয়াছেন, এবং অদ্যাবধি চালাইতেছেন। উপাসক মণ্ডলীর দায়ী স্থায়ী আচাৰ্য্য।-আমার এই সময়ের আর একটি বিশেষ কাজ, কলিকাতা সাধারণ ব্ৰাহ্মসমাজের উপাসক মণ্ডলীর উন্নতি সাধন। বরাবর উপাসক মণ্ডলীর কাজ এই ভাবে চলিয়া আসিতেছিল যে, সম্পাদক এক এক সপ্তাহে এক এক জনকে উপাসনা করিতে অনুরোধ করিতেন; তিনি উপাসনা করিতেন। আমরা এই ভাবেই উপাসনা