পাতা:আত্মচরিত (৩য় সংস্করণ) - শিবনাথ শাস্ত্রী.pdf/৫১৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


yసె)-సెw] পুত্ৰ কন্যার বিবাহ 8 (V) ব্যতীত, “যুগান্তর’ ও ‘নয়নতারা’ নামে দুই খানি উপন্যাস, ও ‘মাঘোৎসবের উপদেশ ও বক্তৃতা’ প্ৰভৃতি ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র পুস্তিকা প্ৰকাশিত হয়। তদ্ভিন্ন ‘রামতনু লাহিড়ী ও তৎকালীন বঙ্গসমাজ” নামে একখানি গ্ৰন্থ, এবং আমার রচিত প্ৰবন্ধ সকল সংগ্ৰহ করিয়া “প্ৰবন্ধাবলী” নামে এক গ্ৰন্থ, মুদ্রিত করি। জ্যেষ্ঠা কন্যা হেমলতার বিবাহ। —এই কালের মধ্যে ১৮৯৩ সালে আমার জ্যেষ্ঠা কন্যা হেমলতার বিবাহ হয়। ডাক্তার বিপিনবিহারী সরকার, যিনি কোকানদাতে পীড়ার সময় আমার চিকিৎসার জন্য সমাজের বন্ধুগণ কর্তৃক প্রেরিত হইয়াছিলেন, তিনি আমার পীড়ার সময় হেমের সহিত পরিচিত হন। সেই পরিচয় ক্রমে দাম্পত্য প্ৰেমে পরিণত হয়, এবং অবশেষে তিনি হেমকে বিবাহ করিবার অভিপ্ৰায় প্ৰকাশ করেন, এবং আমার অনুমতি পাইয়া তাহারা বিবাহিত হন। কনিষ্ঠা কন্যা সুহাসিনীর বিবাহ।-এই কালের মধ্যে আমার সৰ্ব্বকনিষ্ঠা কন্যা সুহাসিনীও বিবাহিত হয়। সাধনাশ্রম সংসৃষ্ট কুঞ্জলাল ঘোষ নামক এক জন যুবকের সহিত তাহার বিবাহ হয়। দুঃখের বিষয়, ইহার পর সুহাসিনী বহু দিন বঁাচিয়া থাকে নাই। ১৮৯৯ সালে বিবাহিতা হইয়া ১৯০৬ সাল পৰ্য্যন্ত জীবিত ছিল ; ঐ সালের ১৫ই নভেম্বর দিবসে গতাসু হয়। পুত্র প্রিয়নাথের বিবাহ।-১৯০১ সালের গ্রীষ্মকালে আমার পুত্র প্রিয়নাথের বিবাহ হয়। ঐ বিবাহ কটকের সুপ্ৰসিদ্ধ ব্ৰাহ্ম বন্ধু মধুসূদন রাওর দ্বিতীয়া কন্যা অবন্তী দেবীর সহিত হয়। এই বিবাহের ফলস্বরূপ অদ্য পৰ্য্যন্ত একটি পুত্ৰ সন্তান জন্মিয়াছে। পত্নী প্ৰসন্নময়ীর স্বগারোহণ ॥-১৯০১ সালের ৩রা জুন প্রসন্নময়ী স্বৰ্গারোহণ করেন। তৎপূর্বে বহু বৎসর তিনি গুরুতর বহুমূত্র রোগে ক্লেশ পাইতেছিলেন। ১৮৮৮ সালে তিনি পরলোকগত রামকুমার