পাতা:আত্মচরিত (৩য় সংস্করণ) - শিবনাথ শাস্ত্রী.pdf/৯৪

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


Գ Ն) শিবনাথ শাস্ত্রীর আত্মচারিত [ ৩য় পরিঃ করিলে এখন লজ্জা হয় ; এবং ঈশ্বরকে ধন্যবাদ করি যে একেবারে अन९०९१ोंभैी श्छे नाझे । সপ্তাহের মধ্যে বাসার অন্নাশ্ৰিত লোকগুলি মাতুলের ভয়ে অনেক শান্ত মূৰ্ত্তি ধারণ করিয়া থাকিত ; নিজ নিজ কাজে মনোযোগ করিতে বাধ্য হইত। মাতুল মহাশয় শনিবার দেশে যাইতেন ; শনিবার রাত্রি ও রবিবার সমস্ত দিন বাসা আর এক মূৰ্ত্তি ধারণ করিত। কেহ গাজা কেহ মদ খাইয়া ঢলঢলি করিত। মাতুল খরচের জন্য যেকিছু পয়সা দিয়া ! যাইতেন তাহা এইরূপে ব্যয় করিয়া ফেলিত। আমাদিগকে অনেক রবিবার ভাতে-ভাত খাইয়া কাটাইতে তইত । প্ৰশংসার বিষয়, আমাকে তাহারা অনেক সময় একটা কিছু ছল করিয়া অন্য কোনও বাসায় থাকিবার জন্য পাঠাইয়া দিত। তথাপি যাহা দেখিতাম ও শুনিতাম তাহ বালকের দেখা কোনও প্রকারেই কৰ্ত্তব্য নহে। ঈশ্বরকে আজ অগণ্য ধন্যবাদ দিতেছি যে, সেই সকল দৃষ্টান্তের মধ্যে তিনি আমাকে রক্ষা করিয়াছিলেন। আমি এক দিনের বিবরণ বালিতেছি । বাসার অন্নাশ্রিত আত্মীয়দিগের মধ্যে এক জনকে সকলে ‘মামা” “মামা’ বলিয়া ডাকিত। ঐ ‘মামা’ সম্পর্কে আমার মায়ের মামা, তবু আমিও ‘মামা’ বলিয়া ডাকিতাম। বলিতে কি, চাকর বাকির দোকানি পসারি কেহই তাহাকে আসল নামে ডাকিত না ; সকলেই ‘মামা” “মামা' বলিয়া ডাকিত । ‘মামা” ইংরাজী লেখাপড়া শেখে নাই ; কম্পোজিটারি, বিল সরকারি প্রভৃতি করিয়া কিছু উপার্জন করিত। তাহার সুরাপান ও অন্যান্য দোষ ছিল। এক দিন রবিবার সন্ধ্যার পর এক জন আত্মীয়া আসিয়া সংবাদ দিলেন যে, ‘মামা’ সুকিয়া ষ্ট্রীটের এক গণিকালয়ে মাতাল হইয়া বমি করিয়া পড়িয়া আছে। গণিকারা দ্বারকানাথ বিদ্যাভূষণের বাসার লোক বলিয় তাহার নাম উল্লেখ করিয়া গালি দিতেছে। বারাঙ্গনার মুখে মাতুলের নাম, ইহা যেন আমার