পাতা:আত্মচরিত (৪র্থ সংস্করণ) - শিবনাথ শাস্ত্রী.pdf/১০৯

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


Sur-9 ১৮৬৪ সালের আশ্বিনেব। বড় (t সেই গৃহে আশ্রয় লইয়াছিল তাহারা “বাবা বে, মা রে” করিতে করিতে স্বীয় স্বীয় ভবনের উদ্দেশে যাত্ৰা করিল। আমাদেব শালতির চালক দুইজন আমাদেব বিছানা ও কিছু কিছু জিনিস পত্র মাথায় করিয়া আসিয়া উপস্থিত হইল। বলিল, শালতি খাল হইতে লইয়া এক পুকুরের ধাবে বাধিয়া বাখিয়াছিল, দড়ি ছিড়িয়া পুকুরের মধ্যে ডুবিয়া গিয়াছে। তখন আর উদ্ধাব কবিবাব সময় নাই ; সন্ধ্যা সমাগতপ্ৰায়। তাহাদিগকে সেই ভাঙ্গা দাবাতে কোনও প্ৰকাবে রাত্রিযাপন কবিতে বলিয়া আমব সেই দাবিদ্র ব্রাহ্মণের ভাঙ্গা ঘরে রাত্ৰিষাপন কবিবার জন্য প্ৰস্তুত হইলাম। তাহারা পোদ নামক হীনজাতীয় লোকোব ব্ৰাহ্মণ । ক্ৰমে সন্ধ্যা সমাগত হইল। সেই গৃহের বৃদ্ধ-বৃদ্ধর বীবপ্ৰকৃতি-সম্পন্ন যুবক পুত্র সমস্ত দিনেব অনাহাব ও গুরুতব শ্রমের পাব ক্লান্ত হইয়া আসিয়া ঘরের মধ্যে পড়িল। পিতা মাতা ব্যাকুল হইয়া অনুরোধ করিতে লাগিল, “ওরে, তুষ্ট মুখ হাত ধুয়ে ওই চৌকীর নীচে তোর ভাত আছে, খা ।” তখন আমবা সেই ঘবে নয়জন ; আমরা বিদেশীয় পাঁচজন, ও বুড়োবুড়ী যুবক পুত্র ও গভিণী পুত্রবধু এই চারিজন। পিতামাতার অনুবোধ ও ব্যগ্ৰতা দেখিয়া যুবকটি বলিল, “বাবুরা সমস্ত দিন অনাহাবে আছেন ; ওঁরা ঘরে বসে থাকবেন, আর আমি খাব, তা কি হয় ?” কোনওরূপেই সে খাইবে না। ইহাতে আমরা বাহিরের লোক চটিয়া উঠিলাম ; বলিলাম, “সে কি কথা ! এই বিপদে কি কেউ আতিথ্য করতে পারে ? তুমি সমস্ত দিন ছুটাছুটি করেছ, তুমি ঐ ভাত খাও, কিছুই অন্যায় হবে না।” সে তাহা শুনিল না, বসিয়া রহিল। শেষে আমি জিজ্ঞাসা করিলাম, “আচ্ছা, তোমাদের ঘরে BDBDDBDBS BBBD BD DiD DBBD D DBS DDB BBSuD আছে, তাহা ভিজে গিয়েছে।” উত্তলু, “আচ্ছা, ভিজা চাউল আমাদিগকে