পাতা:আত্মচরিত (৪র্থ সংস্করণ) - শিবনাথ শাস্ত্রী.pdf/২১২

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


* [ १म °eि আচাৰ্য্য-পত্নীৰ সবলতা ও আমাব প্ৰতি অকপট ভালবাসাব আব একটি নিদর্শন মনে হইতেছে, তাহ বলিয়া ফেলি। আমি একদিন স্কুলে পড়াইবাব সময় দেখিলাম, তিনি পড়া কবিয়া আসেন নাই। তাই তাহাকে বলিলাম, “দুপুৰ বেলা খাওয়াব পাব ঘবে গিযে শয়ন কবলে আপনি ত আপনাব পাতিব নিকট কঠিন বিষয়গুলো জেনে নিতে পাবেন, পড়া তয়েব কবে আসতে পাবেন।” তদনুসাবে তিনি তৎপবদিন দুপাব বেলা পড়া জানিতে বসেন। কেশব বাবু এটা ওটা বলিষা দিতেছেন, এমন সময়ে তাহাব পত্নী বলিয়া উঠিলেন, “যাও যাও, তুমি শিবনাথ বাবুব মত পড়াতে পাব না।” এই কথাষ কেশব বাবু খুব হাসিতে লাগিলেন। তৎপৰ দিন তাহাবা যখন পতি-পত্নীতে একত্ৰ আছেন, এমন সময়ে কোনও কাজেব জন্য আমি সেখানে গেলাম। আমাকে দেখিযা কেশব বাবু হাসিয়া বলিলেন, “শিবনাথ । তুমি আমাব সমক্ষে পড়াও ৩, আমি দেখি। তুমি এমন পড়া কি পাড়াও যে আমাব পড়ান ওঁব মনে লাগে না ? আমাকে বলেছেন, “তুমি শিবনাথ বাবব মত পডাতে পাব না।” ” আমি হাসিয়া বলিলাম, “বুঝলেন না, আমাকে ভারি ভালবাসেন কি না, তাই আমি যা কবি ভাল লাগে। আপনাকে জেনেছেন সর্বোৎকৃষ্ট উপদেষ্টা, আমাকে জেনেছেন সর্বোৎকৃষ্ট শিক্ষক। যা হোক, এ কথা শুনে আমাব শ্রমট সার্থক বোধ হচ্ছে।” এই ভাবতাশ্রমে বাসকালে আচাৰ্য্য-পত্নীব পতিভক্তি ও শিশু-সুলভ সবলতাব আব-এক নিদর্শন পাওয়া গিয়াছিল, তাহা এখানে উল্লেখ কৰা ভাল। আশ্রম স্থাপিত হইয়া প্ৰথমে কিছুদিন ১৩ নম্বব মির্জাপুৰ ষ্ট্রীট ভবনে ছিল। তখনও ‘বয়স্থ-মহিলা-বিদ্যালয়” স্থাপিত হয় নাই । সে সময়ে কেশব বাবু খ্ৰীষ্টীয়-ধৰ্ম্ম-প্রচাবিক কুমাৰী পিগটকে ( Piggot ) অনুবোধ কবিয়াছিলেন যে, তিনি সপ্তাহেব মধ্যে কয়েকদিন বৈকালে আসিয়া আশ্রমবাসিনী মহিলাদেব সঙ্গে বসিবেন, তঁহাদেব লেখা পড়া