পাতা:আত্মচরিত (৪র্থ সংস্করণ) - শিবনাথ শাস্ত্রী.pdf/৩৪৮

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


NO9 শিৰনাথ শাস্ত্রীর আত্মচারিত [ ১৩শ পরিঃ র্তাহারা নামিয়া গেলে আমার দুঃখ হইল যে, ঝগড়াঝাঁটির এতদিন পরে কেশব বাবুর সঙ্গে সাক্ষাৎ হইল, কেন এত উত্তপ্ত হইয়া কথা কহিলাম। পরে ভাবিলাম, ক্রোধটা যখন মনে ছিল, তখন তাহার সমক্ষে প্ৰকাশ করাই ভাল হইয়াছে। আমার মনে এই একটা সন্তোষ আছে যে তাহার বিরুদ্ধে যাহা বলিবার তাহার অধিকাংশ তাহার সম্মুখেই বলিয়াছি। কলিকাতায় ফিরিয়া গালাগালির কারণ অনুসন্ধান - অক্টোবরের মধ্যভাগে আমি সহরে পৌছিয়া ঐ গালাগালির মূল কারণ শুনিলাম। সে মূল কারণ এই। ঐ বৎসরের মধ্যভাগে সাধারণ ব্ৰাহ্মসমাজের অগ্ৰণী সভ্যগণের মধ্যে এক ব্যক্তির নামে কেহ তাহাদের নিকট অতি জঘন্য দুশ্চরিত্রতার কুৎসা করে। যেই এই কুৎসা শোনা, অমনি তাহারা লম্ফ দিয়া উঠিলেন, এইবার শত্ৰুকুল বিনাশের অস্ত্ৰ হাতে আসিয়াছে। এই উৎসাহ এত অধিক হইল যে, বলিতে লজ্জা হইতেছে যে, একটা বাজারের স্ত্রীলোককে বাড়ীতে ডাকাইয়া আনাইয়া নিজেদের সভার মধ্যে তাহাকে বসাইয়া, সেই ব্যক্তির বিরুদ্ধে তাহার জবানবন্দী গ্ৰহণ করাকেও ছোট কাজ মনে করিলেন না ! ইহার পরে তঁাহারা মহম্মদের অনুকরণে বিরোধীদলের প্রতি গালগালি বর্ষণ করিতে লাগিলেন ; দরবার হইতে আদেশবিধি প্রচার হইতে লাগিল ; কেশব-ধৰ্ম্মকে ব্ৰাহ্মধৰ্ম্ম হইতে স্বতন্ত্র করিয়া লাইবার চেষ্টা হইতে লাগিল ; রবিবাসরীয় মিরারে ঐ ঈশ্বরীয় উক্তি প্ৰকাশিত হইল ; এবং কেশব বাবু expedition বাহির করিলেন। এই ভাব হইতেই পরে নববিধানের অত্যুদয়। ইহা স্মরণ করিলেও a বে কুৎসাটা ইহঁৱা অবলম্বন " কৰেিয়াছিলেন, তৎসম্বন্ধে এইমােজ বক্তব্য সে অামি লহয়ে ছিলাম না, বিশেষ জানি না । কিন্তু আজািক