পাতা:আত্মচরিত (৪র্থ সংস্করণ) - শিবনাথ শাস্ত্রী.pdf/৪৬২

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


89R शिवनाथ भांछील लांचशाबिठ [ ১৯শ পরিঃ ঘরের টেবিলে রাখিতে বলিবে, আমি বেড়াইয়া আসিয়া রাত্রে আহার कवि।' “সন্ধ্যার সময় এই পত্র তাহার পত্নীর হাতে দিয়া আমি বেড়াইতে গেলাম। তারপর রাত্ৰে আসিয়া দেখি, আমার টেবিলের উপর আমার খানা রহিয়াছে। আহার করিয়া শয়ন করিলাম। প্রাতে উঠিয়া আমার জিনিসপত্র বঁাধিতেছি, এমন সময়ে দেখি মেয়েট চা লইয়া হাসিতে হাসিতে আসিয়া উপস্থিত। তাহাকে দেখিয়াই আমি লজ্জাতে মুখ অবনত করিলাম। মেয়েট বলিল, “তুমি আমার স্বামীকে যে পত্ৰ লিখেছ, তা আমি পড়েছি । তুমি বড় ভাল লোক। দেখ, এরূপ প্রলোভন আমাদের অনেকের পথে আসতে পারে ; ঈশ্বরের নাম ক’রে তাকে দুরে ফেলে দিলেই হলো । তোমার ও-প্ৰলোভন থাকবে না । তুমি আমাকে বোনের মত দেখ না ? আমাকে বোন ভেবে আমার মুখের দিকে চাও না ? আমিই তোমাকে বল দেব ! আমি ও আমার স্বামী দুজনেই পরামর্শ করেছি, তোমাকে কখনই যেতে দেওয়া হবে না। তুমি আমাদের বন্ধু ; এমন বন্ধু সহজে পাওয়া যায় না।” তার পর আমি সেই গৃহেই রহিলাম। তদবধি আমি তাদের বন্ধুই আছি।” নিয়শ্রেণীর মধ্যবিত্ত মেয়েদের স্বভাব চরিত্র যখন এই, তখন সহজেই অনুমান করা যাইতে পারে, উচ্চশ্রেণীর মধ্যবিত্ত নারীদের স্বভাব চরিত্র কিরূপ । সামাজিক সুব্রীতির শাসন ॥-পূর্বে যে বলিয়াছি, মধ্যবিত্ত শ্রেণীর নারীগণ স্বাধীন ভাবে সকল স্থানে, সকল আলোচনাতে, সকল কাজে যোগ দেন, তাহাতে যেন কাহারও মনে না হয় যে তাহদের মধ্যে সামাজিক শাসন নাই। এমন কঠিন সামাজিক শাসন অল্পই দেখা যায়। সুপম র্যাদের বাড়ীতে থাকি,তাম, সে বাড়ীতে যদি কোনও দিন হিরের দরজার চাবি সঙ্গে লইয়া যাইতে ভুলিতান, এবং ফিরিতে