পাতা:আত্মচরিত (৪র্থ সংস্করণ) - শিবনাথ শাস্ত্রী.pdf/৫০৬

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


8. नियनां भांौव यांब्रिख् [ ২৩শ পরিঃ যিনি যাহা দিবেন। লাইবে।” এইরূপ কয়িয়াই চারিদিক হইতে সাহায্য পাওয়া গিয়াছিল। আশ্রমসংক্রান্ত আর একটী ঘটনা চিরস্মরণীয়। ১৮৯২ সালে আশ্রম প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৮৯৩ সালের মাঘোৎসবে ১২ই মাঘ সাধনাশ্রমের উৎসবের দিন ছিল। উপাসনা-কাৰ্য্য নির্বাহের জন্য আমরা মহর্ষি-দেবেন্দ্রনাথকে নিমন্ত্ৰণ করি। তিনি দয়া করিয়া সম্মত হন। তিনি সংক্ষেপে উপাসনাকাৰ্য্য সম্পন্ন করিয়া বেদী হইতে অবতৰণপূর্বক চলিয়া গেলে, কিয়ৎক্ষণ আমাদিগের প্রার্থনাদি চলিতে থাকে। সে দিন এইরূপ একটা ভাবের আবির্ভাব হইল যে, সমাগত বন্ধুগণের নিকট দানের উপযুক্ত যে কিছু ছিল, সকলে আশ্রমের জন্য দান করিতে লাগিলেন। এমন কি, অবশেষে চারিদিক হইতে আমার মন্তকের উপর পুরুষদিগের গায়ের শাল, দামী পট্টবস্ত্ৰ, মহিলাদের বালা, চুড়ী, গলার হার, প্রভৃতি পড়িতে লাগিল। তাহা বিক্রয় করিয়া পরে অনেক শত টাকা হইয়াছিল। এইরূপ স্বতঃপ্রবৃত্ত দানের দ্বারা সাধনাশ্রম চিরদিনই চলিয়া আসিয়াছে। সাধনাশ্রমের ইতিবৃত্ত দেখিয়া বন্ধুগণ জগদীশ্বরকে ধন্যবাদ কল্পিবায় যথেষ্ট কারণ পাইবেন । তিনি যে ইহার অর্থাভাব পুরাণ ফরিয়া আসিয়াছেন, কেবল তাহা নহে ; ইহার দ্বারা আকৃষ্ট হইয়া অনেকে ব্ৰাহ্মধৰ্ম্ম প্রচারে ও ব্ৰাহ্মসমাজের সেবাতে আত্মসমৰ্পণ করিয়াছেন। ঊাহাদের মধ্য হইতেশ্চারিজনকে এ পৰ্যন্ত সাধারণ ব্ৰাহ্মসমাজ। আপনাদের প্রচারক-পদে বরণ করিয়াছেন । আর একটী স্মরণীয় ঘটনা, একবার আমি সাধনাশ্রমেয় কাৰ্য্যভাঁর আশ্রমের একজন পরিচারকের প্রতি দিয়া ধৰ্ম্মপ্রচারার্থ লাহোরে গিয়াছিলাম। সেখানে সম্বাদ পাইলাম, আশ্রমে মহা অর্থকষ্ট উপস্থিত। দিনে ২৩ আন মাত্র বাজার হইতেছে। ষে রবিবার প্রাতে এই সম্বাদ