পাতা:আত্মচরিত (৪র্থ সংস্করণ) - শিবনাথ শাস্ত্রী.pdf/৫৩১

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


শিষ্ট ] পিতার তেজস্বিতা 8ኻዓ፭» পণ্ডিতকে ছাড়া হবে না ।” অমনি বাবাকে একঘরে করিবার জন্য চক্রান্ত চলিল। বাবার প্রতি পূর্ব হইতে যাহাঁদের ঈর্ষ্যা বা অসন্তোষ বা বিদ্বেষবুদ্ধি ছিল, তাহারা সকলে এই দলে প্ৰবেশ করিল। দেখিতে দেখিতে গ্রামের মধ্যে বিলক্ষণ দুইটী দল পাকিয়া দাড়াইল । বাবা অগ্ৰে বরং প্ৰকৃত কথা কাহাকেও কাহাকেও বলিতেছিলেন ; কিন্তু যেই শুনিলেন যে র্তাহার বিরুদ্ধে দল বাধিতেছে, অমনি মুখ বন্ধ করিলেন। বলিলেন, “আচ্ছা ! ওদের যা করবার, করুক ” ক্ৰমে আসল কথাটা প্ৰকাশ হইয়া পড়িল ; গ্রামের লোকে কলিকাতা হইতে বাড়ীতে গিয়া প্রচার করিয়া দিল যে আমার DBB BBD S BD S BD DDSDD DBBDBS BDBB DBDDBDS BDDD রাখা হইয়াছে ও আমাব পরিবার পরিজন স্বতন্ত্র বাড়ীতে আছে। ৩খন জমিদার বাবুরা মুস্কিলে পড়িয়া গেলেন ; একবার মুখ দিয়া বলিয়াছেন যে বাবাকে একঘরে করিবেন, আবার কি করিয়া সে কথা তুলিয়া লান ? তখন বলিলেন, “পণ্ডিত একবার নিজে আসিয়া বলুক যে তার স্ত্রী স্বতন্ত্র বাড়ীতে আছেন; তা হ’লে আমরা যা বলেছি তা তুলে নি।” বাবা শুনিয়া বলিলেন, “শৰ্ম্ম সে ছেলেই নয়! যদিও ইহা সত্য কথা, তবু আমি, যারা ভয় দেখিয়েছে, তাদের কাছে গিয়ে এ কথা বলতে প্ৰস্তুত নই। তাদের যা কয়ৰায় হয় করুন।” দুমাস যায়, চারি মাস যায়, বাবা আর যান না ; জমিদার বাবুরা নামালোকের দ্বারা ডাকিয়া পাঠান, বাবা সে পথ দিয়াই চলেন না। অবশেষে জমিদার বাবুরা আপনাদেয় মান রক্ষায় জন্য এক কৌশল অবলম্বন করিলেন। বাবা তার জ্যেষ্ঠ মামাত ভাই গোবৰ্দ্ধন শিরোমণি মহাশয়কে অতিশয় ভক্তি শ্রদ্ধা করিতেন। তিনি জমিদার বাবুদের গুরু ছিলেন। বাবুরা নিরুপায় হইয়া ভঁৰ্গর শরণাপন্ন ফইলেন। তিনি একদিন বাবুদের কাছাৰীতে বসিয়া বাবাকে ডাকাইয়া