পাতা:আত্মচরিত (৪র্থ সংস্করণ) - শিবনাথ শাস্ত্রী.pdf/৬০

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


(8 শিবনাথ শাস্ত্রীব আত্মচবিত [ ২য় পবিঃ হইতেছে। সে-সকলকে সকলেই পবিত্র চক্ষে দেখিয়া থাকেন। ইহা বলিলেই যথেষ্ট হইবে যে, ব্ৰাহ্ম হইয়া উপবীত ত্যাগের পব, আমাব একবাবা যক্ষ্মাবোগেব সুচনা হয় ; তখন আমাব জননী আমাব পবিচৰ্য্যাব জন্য কলিকাতা আসিয়া আমাকে লইযা কয়েক মাস ছিলেন * । তিনি আমাব পূজ্য পো-ঠাকুবদাদাব লাঠি, মোগপট ও মালা আনিয, আমাব শয্যাতে বাখিয়াছিলেন ; বিশ্বাস এই ছিল, "তাস্তাব গুণে আমি বেগম ক্ৰ হইব। তিনমাস কাল ঐ-সকল দ্রব্য আমাৰ শস্যা হইতে সবাইতে দেন নাই। তৎপবে এলোক তুষ্টতে যাইবাব সমৰ পো-ব জপোব মালা আমাব ভগিনীকে ও তীব আহাবোৰ বাটি আমাকে দিয়া গিয়াছেন, আমি প্ৰতিদিন তাহা ব্যবহাবি কবিতেছি । আমি আল কি বলিব, তাহাব পাব বহুবৎসব চলিযা গিয়াছে, অনেক মানুষ দেখিয়াছি, নিজে অনেক ভ্ৰম প্ৰমাদ কবিযাছি, কিন্তু যখনই সেই সাধুপুরুষেব সেই ধৰ্ম্মনিষ্ঠাব কথা স্মৰণ কবি, তখনই নিজেব দুর্বলতা স্মবণ কবিয়া লজ্জাতে অভিভূত হইয়া যাই । বহুবর্ষ পাবে যখন আমাব মা কাদিয বলিতেন, “হায় বে, এমন সাধু পুৰুষেব এত আশীৰ্ব্বাদ কি বৃথা গেল ?” তখন আমি চক্ষেব জল বাখিতে পাবিতাম না । মনে মনে বলিতাম, “হায় বে, তিনি তঁাব ইষ্টদেবতাকে যেমন অকপটে মা বলিতেন, আমি কেন তেমন করিয়া ঈশ্ববকে ডাকিতে পাবি না ?” উপনয়ন -ক্রমে আমি নবম বৎসবে আসিয়া উপনীত হইলাম । নবম বৎসরে আমাব উপনয়ন হইল। উপনয়নান্তে পো নিজে আমাকে সন্ধ্যা আহিক শিখাইতে প্ৰবৃত্ত হইলেন, এবং নিজেব নিকট লষ্টয়া প্ৰতিদিন সন্ধ্যা করাইতে লাগিলেন। কলিকাতা যাত্রা ; মাতা ও ভগিনীর ক্ৰন্দন।-ইহাব অল্প निन श्रीबरे, বাবা আমাকে কলিকাতায় আনিলেন । সেদিনকাব কথা এক দশম পরিচ্ছেদ দেখি ৷