পাতা:আত্মচরিত - শিবনাথ শাস্ত্রী.pdf/৪৯

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


Vysfs VO) অপরেরা আসিতেছে, পথে মুখোমুখী করিয়া কি সঙ্কেত করিল যে, যাহারা আসিতেছিল। তাহারাও ফিরিল। আমি মনে করিতাম, ইহারা নিশ্চয় কথা কয়। তখন মাটির নিকটে কান পাতিয়া রহিলাম, তাহদের শব্দ শোনা BB DDD S BD BtD DBDmSDLDD DBDBD KY BB DDK DDDDS “চুপ কর, চুপ কর, পীপডেরা কি বলছে শুনি।” ইহা দেখিয়া বাড়ীর লোকেরা হাসাহাসি করিতেন। এই ব্যাপাৱ প্ৰায় সর্বদাই ঘটিত । পাখী ধারা, পাখী পোষা --তৎপরে, পাখী ধরিবার ও পুষিবার জন্য অতিশয় উৎসাহ ছিল। পাখীর বাসা হইতে বাচ্চা চুরি করিয়া আনিতাম, আনিয়া তার মায়ের মত যত্নে তাহাকে পালন করিতাম। সে জাতীয় পাখীরা DD LS DLBDD DL DBDB KLSK KYDK BBD BB LD ছেলেদের কাছে পাইতাম ; সেইরূপ করিয়া দিনের মধ্যে দশ বার করিয়া EHLB SS SD KL SDD DB DDD DDL DDDL BDBB বঁধিয়া তার মধ্যে বাচ্ছা রাখিতাম। রাখিয়া একখানি। সারা দিয়া ঢাকিয়া হাড়িটি ঘরের চালে ঝুলাইয়া রাখিতাম, পাছে সাপে খাইয়া যায়। তারপর SLBBD KYYDBDS BDB BDS BDDBDuuDBB BDBS LLED DDuLS করিতাম ; তাহাকে বলে ছাট। সেই ছাট হাতে করিয়া মাঠে মাঠে ঘাস বনে ফডিং ধরিতে যাইতাম। ঘাসের উপর ছাটগাছি বুলাইলেই ফড়িং লাফাইয়া উঠিত। আমনি সেই ছাট সজোরে তার পৃষ্ঠদেশে মারিয়া তাহাকে অধমৃতপ্ৰায় করিতাম। সেই অচৈতন্য অবস্থাতে তাহাকে এক বঁাশের কেঁড়ের মধ্যে পুরিতাম। এইরূপে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ফড়িং ধরিতাম। ধরিয়া আনিয়া পাখীকে খাওয়াইতাম। পাখীর বাচ্ছা পোষা প্ৰায় বৈশাখ জ্যৈষ্ঠ মাসে হইত। বাবা তখন ছটিতে বাড়ীতে থাকিতেন। তিনি আমার পাখী পোষা দেখিতে পারিতেন না। পড়াশুনাৱ ব্যাঘাত হয়, ইহা সহিতে পারিতেন না। পাখীর বাচ্ছাকে খাওয়াইতে দেখিলেই আমাকে মাৱিতেন । সুতরাং ত্যাহার অনুপস্থিতি কালে আমাকে ঐ বাচ্ছার মায়ের কাজ করিতে হইত। পিতার হন্তে এত প্ৰহান্ন খাইয়াও কিরূপে আমি তাহাদিগকে পালন করিতাম, তাহা ভাবিলে আশ্চৰ্য্য বোধ হয়। মা। অামায় পাখী পোষায় বড় বিরোধী ছিলেন না। বোধ হয় ছেলে বাড়ীতে থাকে এবং একটা কাজে ভুলিয়া থাকে, এই তার মনের অভাব ছিল।