পাতা:আত্মচরিত - শিবনাথ শাস্ত্রী.pdf/৬৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


VNDVS Bt চন্দ্ৰ সূৰ্য যত দিন আকাশে আছেন, তত দিন আমরা ব্ৰাহ্মণকুলে আছি। এখন ভাবি, তিনি কি ভাবিয়াছিলেন, আর আমি কোথায় আসিয়া দাড়াইয়াছিা! আমি জরে পন্ডিলে বা অন্য কোনও প্রকার পীড়াতে আক্রান্ত হইলে আমার K BLBDDB LDDDDS DD LDD BBD DD DBDS TBL B কথা জানাইতেন। তৎপরে প্রপিতামহদেব আমার দেহে হাত বুলাইয়া ঝাড়িতে আরম্ভ করিতেন, ও সমগ্র দেহে ফুৎকার দিতেন, ও মুখে মুখে ইষ্টদেবতার স্তব আবৃত্তি করিতেন। আশ্চৰ্য্যের বিষয় এই, ঝাড়িয়া দেওয়াতেই অনেক সময়ে বোধ হয় আমার জর সারিয়া যাইত । এইজন্য। জরে আমার গাত্ৰজাল উপস্থিত হইলেই, আমি “পো-র কাছে নে যা” বলিয়া কঁাদিতাম । এই সাধু ও সিদ্ধ পুরুষের স্মৃতি আমাদের পরিবারে জীবন্ত রহিয়াছে। তাহার স্মৃতিচিহ্ন যাহা কিছু আছে, আমাদের গৃহে যত্ব পূর্বক রক্ষিত হইতেছে। সে সকলকে সকলেই পবিত্র চক্ষে দেখিয়া থাকেন । ইহা বলিলেই যথেষ্ট হইবে যে, ব্ৰাহ্ম হইযা উপবীত ত্যাগের পর আমার এক বার যক্ষ্মা রোগের সুচনা হয়, তখন আমার জননী আমার পরিচর্য্যার জন্য কলিকাতা আসিয়া আমাকে লইয়া কয়েক মাস ছিলেন। তিনি আমার পুজ্য-ঠাকুরদার লাঠি যোগপট ও মালা আনিয়া আমার শয্যাতে রাখিয়াছিলেন ; বিশ্বাস এই ছিল, BBBB LsEK D BDDDB BBBS DB DD DBB D BDB DDDD DDD শয্যা হইতে সরাইতে দেন নাই। তৎপরে এ লোক হইতে যাইবার সময় EESDD BBDD KK DBHD DBDBDB DLL LL BBBBDB D DBDGD গিয়াছেন, আমি প্ৰতি দিন তাহা ব্যবহার করিতেছি। আমি আর কি বলিব, তাহার পর বহু বৎসৱ চলিয়া গিয়াছে, অনেক মানুষ দেখিয়াছি, নিজে অনেক ভ্ৰম প্ৰমাদ করিয়াছি, কিন্তু যখনই সেই সাধু পুরুষের সেই ধর্মনিষ্ঠার কথা স্মরণ করি, তখনই নিজের দুর্বলতা স্মরণ করিয়া লজাতে অভিভূত হইয়া যাই। বহু বর্ষ পরে যখন আমার মা কঁাদিয়া বলিতেন, “হায় রে, এমন সাধু পুরুষের এত আশীৰ্বাদ কি বৃথা গেল ?” তখন আমি চক্ষের জল য়াখিতে পারিলাম না । মনে মনে বলিতাম, “হায় রে, তিনি তার ইটদেবতাকে যেমন অকপটে “মা” ৰালিতেন, আমি কেন তেমন কৰিয়া ঈশ্বরকে ভাকিতেaॉमेिं न ।।” উপলয়াল -ক্রিমে আমি নবম বৎসৱে আসিয়া উপনীত হইলাম। নবম