পাতা:আত্মজীবনী ও স্মৃতি-তর্পন - জলধর সেন.pdf/১৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


আত্মজীবনী ও স্মৃতি-তৰ্পণ ܡܛܠ তখন ফৌজদারী ও মুনসেফি আদালত ছিল। কুমারখালি তখন একটা সাবডিভিশান। কুষ্টিয়া থেকে গোয়ালন্দ পৰ্য্যন্ত রেলপথ বিস্তৃত হলে, এই কুমারখালি সাবডিভিশানই গোয়ালন্দে চলে, যায় এবং আমাদের গ্রাম নদীয়া BB DBDuDuSDBD SBDBS BB BDDDDBDD DB BiD BDBDBDBD কথা পরে আরও বলতে হবে, এখন সে কথা থাক । জেঠামশায় যখন আমাদের সংসারে কিছু কিছু সাহায্য করতে লাগলেন, তখন আমার যে পিসতুতো ভাই কলকাতায় চাকরী করতেন, তঁকে আর মাসে মাসে বাড়ীর খরচ পাঠাতে হ’ত না। জেঠামশায়ই নিষেধ ক’রে দিয়েছিলেন। আমার সেই পিসতুতো ভাই তখন প্ৰস্তাব করলেন যে, বড়দাদাকে DBB BDBDBDBDBD DD BDDDS DDB BDBDDDBBSLLBu BBBD DB ইচ্ছা ছিল যে, দ্বারিককে ভাল রকম ইংরেজী লেখাপড়া শেখাবেন । গায়ের ইংরাজি স্কুল থেকে কলকাতায় স্কুল অনেক ভাল, আমি ওকে কলকাতায় নিয়ে যাই-এই ব’লে তিনি বড়দাদাকে কলকাতায় নিয়ে গেলন এবং সেখানে ডাফ কলেজে ভক্তি ক’রে দিলেন । সেইবারই বড়দাদা প্ৰবেশিকা পরীক্ষা দেন, দুৰ্ভাগ্যক্রমে পাশ হ’তে পারেননি। তারপরের বছরও তিনি পাঠ আরম্ভ করেন। মেজদাদাও তার পূর্বে গ্রামের স্কুল থেকে ছাত্রবৃত্তি পাশ ক'রে ইংরাজি স্কুলে পাঠ আরম্ভ ক’রে দেন। আমিও তখন বাঙ্গলা স্কুলে যাই-আসি ; কিন্তু আমার আর পড়া হয় না । ছ'মাস পড়তে পাই আর ছ'মাস পড়া বন্ধ । এই পড়-বন্ধের ইতিহাসটা বলে’ নি । আমার বয়স যখন ছয় কি সাত বছর, তখন বুঝতে পারা গেল যে, আমার চোখের কিছু একটা অসুখ হয়েছে। তখন আমাদের পাড়াগাঁয়ে এত ডাক্তারের ছড়াছড়ি ছিল না, হাতুড়ে কবিরাজই একমাত্র সম্বল ছিল। সুতরাং আমার চোখে যে কি অসুখ হ’ল, তা আমাদের গ্রামের কবিরাজ হরিমোহন সেন ধরতেই পারলেন না । সেই সময়ে হালিসহর থেকে প্যারিমোহন গুপ্ত নামক একটী ভদ্রলোক এলোপ্যাথিক চিকিৎসা করবার জন্যে আমাদের গায়ে গিয়ে উপস্থিত হলেন । তিনিও আমার চোখ দেখে কিছু ঠাহর করতে পারলেন না। অনেক টােটকাটুকি ব্যবহার করা হ’ল, তাতে উপকার না হয়ে অপকারই হ’ল। শেষে এই হ’ল যে, বৈশাখ থৈকে ভাত্ৰ-আশ্বিন পৰ্যন্ত এই ৫/৬ মাস আমি মোটেই চোখে দেখতে পেতুম না। একবারে অন্ধ হয়ে বেতুম। LLLBBBDDBDB DDD BB Buuu BB D ut DLD DS LDLBD