পাতা:আত্মজীবনী ও স্মৃতি-তর্পন - জলধর সেন.pdf/১৫৫

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


আত্মজীবনী ও স্মৃতি-তৰ্পণ St সাধক প্রবারের শুভ সূচনার ফলে একজন হলেন সিদ্ধ সাধক শিবচন্দ্ৰ বিদ্যার্ণব, আর একজন হলেন-অ-সিদ্ধ অ-পক আমি দু-এক ঝাড়ের বঁাশেই দেবপূজার পুষ্পপাত্র ও হোল এবং হাড়ীর বাটাও হোল । কোন বছরে, কোন মাসে, কোন তারিখে আমরা কুমারখালি বঙ্গ-বিদ্যালয়ে প্ৰথম প্ৰবেশলাভ করেছিলাম তা আমার মনে নেই। মনে থাকবারও কথা নয় । পাড়াগায়ের গরীবের ছেলে, দুবেলা যার অন্ন জোটেনি। তার সম্বন্ধে এ-সব কথা লিপিবদ্ধ করবার জন্য কারও মাথা-ব্যথা হতে পারে না। শুনেছি, আমাদের যখন চার পাঁচ বছর বয়স, তখন শিবচন্দ্র ও আমি বাংলা স্কুলে প্ৰবেশ করি । আমাদের দুজনের কেউই গুরুমশায়ের পাঠশালায় প্রথম শিক্ষা লাভ করি নিএকেবারে সোজা ‘বর্ণপরিচয়” হাতে করে বাংলা স্কুলের ছাত্র হয়েছিলাম। কঙাল হরিনাথের কাছে শুনেছিলাম-আমিই আগে স্কুলে যাই, তার মাস দুই ‘তন। পরে শিবচন্দ্ৰ স্কুলে ভর্তি হন। দুই বছর কি আড়াই বছর আমরা একসঙ্গেই পড়েছিলাম। তারপরে এক আশ্চর্য ঘটনায় শিলচন্দ্ৰকে বাংলা স্কুল ত্যাগ করতে হয়েছিল। শিবচন্ত্রের পিতা-আমাদের চন্দ্ৰকাকা অত্যন্ত তেজস্বী ব্ৰাহ্মন ছিলেন। শিবচন্দ্র তখন চরিতাবলী পড়েন । সেই সময় একদিন চন্দ্ৰকাকা শিবকে জিজ্ঞাসা করলেন-ও কি পড়ছিস রে শিব ? শিবচন্দ্ৰ বললেন, “ডুবালের গল্প।” “ডুবালের গল্প। সে আবার কি রে? দেখি।” এই বলে তিনি বইখানি হাতে নিয়ে চার পাঁচ লাইন পড়ে। বইখানি দূরে নিক্ষেপ করে বল্লেন“এই সব বুঝি পড়া হয় ? দেশে আর মানুষই নেই, মহাপুরুষও নেই, পড়িস কি না ডুবালের গল্প। যাঃ, কাল থেকে তোকে আর স্কুলে যেতে হবে না, এই ভুবলেই দেখছি দেশ ডুবালে।” তেজস্বী ব্ৰাহ্মণের যে কথা সেই কাষ। পরদিন থেকেই শিবচন্দ্ৰ আর বাংলা স্কুলে গেলেন না। পরবর্তী জীবনে অনেক স্থানে অনেক বক্তৃতাপ্রসঙ্গে শিবচন্দ্র তাঁর পিতার সেই কথা কয়টি ভেলিন নি। যখন তখনই বলতেন—এই ভুবলেই দেশটা ডুবালে। SBDE DBD D DD DB Bt BDS DB DD DD BDBDB BDBDD ভবিষ্যতের অসাধারণ বাগ্মী, প্ৰগাঢ় পণ্ডিত তন্ত্ৰচাৰ্য শিবচন্দ্ৰকে পেয়েছিলাম। BD D DBDB BDB BBD EEBD BD tguYBL BDB DDDB BD DiD