পাতা:আত্মজীবনী ও স্মৃতি-তর্পন - জলধর সেন.pdf/১৬৭

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


আত্মজীবনী ও স্মৃতি-তৰ্পণ শিক্ষানবীশকে কি আর বেশী মাইনে দেবেন, তাই ভাবছি। যাক, তবুও ত একটা কিছু হোল। যোগেন্দ্রবাবুকি বলেন, সে কথা ক’ল আমাকে বলে যাবেন, বুঝলেন।” বুঝলাম অনেক কথা। আমার মত একদিনের পরিচিত লোকের উপর যে মানুষের এত স্নেহ আগ্রহ হয়, এ ত জানতাম না, সে দিন তা বুঝলাম। আর বুঝলাম কোন গুণে গুরুদাসবাবু এমন সর্বজন-শ্ৰদ্ধেয় হয়েছেন, মা লক্ষ্মী তঁর উপর কেন এমন সদয় হয়েছেন । পরদিন বঙ্গবাসী আফিসে যাবার সময় গুরুদাসবাবুৰ দোকানে গিয়ে তার পদধূলি নিয়ে বললাম “আজই কাজে যাচ্ছি। যোগেন্দ্রবাবু আপাতত মাসে ত্রিশটাকা দেবেন, কাজকর্ম শিখলে বাড়িয়ে দেবেন।” গুরুদাসবাবু বললেন “আমিও তাই ভেবেছিলাম। তা হোক ত্ৰিশ টাকা, কোন ভাবনা করবেন না, যখন যা অভাব হয় আমাকে জানাতে লজ্জা করবেন। না।” কৃতজ্ঞহৃদয়ে তঁর মুগেব দিকে চেয়ে সেই সংবাদপত্রসেবার প্রথম যাত্রাকালে যা দেখেছিলাম, আজ বহুকাল পাবে এই বৃদ্ধ বয়সেও তা আমার মনে আছে , আর তাবটি জন্য এই সুদীর্ঘ কাল পাবে সেই দিয়ার সাগৰ মহাত্মার স্মৃতিতৰ্পণ কবিতে বসেছি । এব পাবেব তেবে চৌদ্দ বৎসবেব ঘটনা আমাব জীবনেব এক সুদীর্ঘ স্মরণীয় ইতিহাস । কত বিপদ আপদ, ক'ত ঝড়ঝঞ্চা, কত শোকতাপ যে এই চৌদ বৎসর আমার মাপার উপর দিয়ে বয়ে গিয়েছে, তা আমি জানি, আর জানতেন। গুরুদাসবাবু। আমি এই কয় বৎসর প্রত্যেক কাজে তার উপদেশ নিয়েছি, তিনি যা আদেশ কবেছেন তাই করেছি, তারই উপর সম্পূর্ণ নির্ভর করেছি। অবশেষে অঙ্গ পূর্ণ তেইশ বৎসব হোল, নিতান্ত অযোগ্য হ’লেও তঁােবই আদেশে “ভারতবর্ষে’র ভার গ্ৰহণ করে নিরাপদ দুর্গে আশ্ৰয় লাভ করেছি। কিন্তু “ভারতবর্ষে’র বয়স পাঁচ বৎসর পূর্ণ হতে না হতেই ১৩২৫ সালের এই বৈশাখ মাসের ১২ই তারিখে আমার সেই আশ্রয়দাতা, আমাক্স অভিভাবক গুরুদাসবাবু উপযুক্ত পুত্রদ্বয়ের হস্তে আমার অভিভাবকত্ব-ভার নিশ্চিন্ত মনে অপর্ণ করে সাধনোচিত ধামে প্ৰস্থান করলেন--আমি এখনঃ সে ভার বহন করছি-আব कडनि कद्रव उi डिनिहें अicमन । পূজনীয় গুরুদাসবাবুর স্মৃতি-তৰ্পণ এখানেই শেষ করতে পারছিনে ; আম” {