পাতা:আত্মজীবনী ও স্মৃতি-তর্পন - জলধর সেন.pdf/১৯৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


the fརྒྱ-རྒྱཤོ། టా, পাওয়া মাত্ৰ উপস্থিত হলেন। দুই একটা ওষুধ দিয়ে ঘণ্টা দুয়েক পরেই কলিকাতায় চলে গেলেন, বলে গেলেন রোগিনীর বঁাচার কোন আশাই নেই। আমার মেয়েটার যিনি শুশ্ৰষা করছিলেন। আমার সেই সম্বন্ধী-সেইদিন সকাল থেকেই কলেরায় আক্রান্ত হন। রাত্রি দশটায় মেয়েট গেলেন, বারটায় BDBBBD BDD LDBBD S DB tDDBBB KDDBDB DYBD DBDDD BBD D S প্ৰাতঃকালে বহু কষ্টে কয়েকজন লোক সংগ্রহ করে শবাদাহ করে এসেই দেখি আমার স্ত্রীও ঐ রোগে আক্রান্ত। বুঝলাম। এইবার সব শেষ। ছেলে তিনটিকে পূর্বেই আমার বড় বৌদিদি সঙ্গে নিয়ে বাপের বাড়ী রওনা হয়ে যান, নইলে তাদের বা কি হোতে কে জানে। फ़िकि९गांडून भक्षक्ष स्थांभांद्र সেই ১২ শিশির বাক্স। চিকিৎসার কিছুই জানি নে। মাথার ঠিক নেই, তবুও যা হয় একটা ওষুধ দিলাম। কোন ফলই হোলো না। সন্ধ্যার পর দেখা গেল রোগিনীর সমস্ত শরীর নীলবৰ্ণ হয়ে গিয়েছে। নাড়ী বসে গিয়েছে। বুঝলাম রাত্রি আর কাটবে না। সেই উন্মত্ত অবস্থায় আবার বই নিয়ে বসলাম । উপসর্গ মিললো কি মিললো না-তা বলতে পারিনে। ভগবানের নাম করে একটা ওষুধ স্থির করে এক ফোটা সুগার অব মিল্কের সঙ্গে মিশিয়ে কোন রকমে মুখের ভিতর পুরে দিলাম। ঘণ্টাখানেক যেতে না যেতেই সেই এক বিন্দু ঔষধ মন্ত্রৌষধির মত কাষ করল। মনে হোলো নাড়ী ফিরে এসেছে, মনে হোলো শরীরের নীল বর্ণও কেটে যাচ্ছে । দুইদিন অনাহারে অর্ধহারে অনিদ্রায় যমের সঙ্গে লড়াই করে আমার স্ত্রীকে বঁচিয়ে তুললাম। আরও দুইদিন সেখানে থাকলাম। তার পরই ডায়মণ্ডহারবারের পথে ছেলে তিনটির আসবার ব্যবস্থা করে আমার রুগ্ন স্ত্রীকে নিয়ে দেশে যাত্রা করলাম। সন্ধ্যার পর শিয়ালদহ ষ্টেশনে পৌছে দেখলাম সুরেশ (সমাজপতি), নলিনীভূষণ (গুহ ) ও হেমেন্দ্ৰপ্ৰসাদ ঘোষ ষ্ট্রেশনে অপেক্ষা করছেন। DD BBB BBB BBDD DBBDB DDD DDLDD DBBDB DBBDS গাড়ীতে উঠলে সুরেশ বললেন-দাদা, আবার কবে আসছেন । DD DKzYYqDSDS gB BB LDLL SDDB BE DDDS BuB DDD DBDYS নিয়তি আমার জন্য হয়। কলেরা, না হয় বসন্তের ব্যবস্থা করে রেখেছেন। তা ना श्लe किङ्कबिन अभि बांट्री 6थक नधियन। TBBD DDDBBuBu DD DBD S BDDD BB BBD D S BuDD তার এবং আমার বন্ধুদের সঙ্গে পরামর্শ কয়ে দীনেন্ত্রবাবুকেই সম্পাদকের কার্যভার