পাতা:আত্মজীবনী ও স্মৃতি-তর্পন - জলধর সেন.pdf/৩৭

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


আত্মজীবনী ও གསྒྱུར་རྒྱ-ད་རྒྱ། ঘরের মধ্যে চলে গেলেন, আবার মিনিট দুই পরে বাইরে এসে আমার হাতে ১· টাকা গুজে দিয়ে বললেন- “এই টাকা দিয়ে যার যা দেনা আছে শোধ করে এক ঘণ্টার মধ্যে এখানে চলে আসবে!” আমি একটু ইতস্ততঃ করে বললুম“আমার কাছে এখনও ৩,৪ টাকা আছে, তাতেই মেসের দেন শোধ হয়ে যাবে।” তিনি বললেন-“বেশ তো, তা তোমার হাতেই থাকুক, এই টাকাটাই খরচ করা DS BB BBBB BDLSD uu DD DBD BDBS BDD LDDLD BBDE SgDB পড়ার সমস্ত ভার আমি নিলুম', আমি কি বলবো ভেবে পেলুম না। তঁকে KKD BB DBD DDS DBDBBu SuD BBBB SDBD DDBBDSuBDS SLDB DBDD সঙ্কোচের কারণ নেই। আমি তোর দাদা দ্বারীরও বড় ভাই। আমি তোর সাহায্য করতে বাধ্য। এটা আমার দান নয়, কর্তব্য কাৰ্য্য।” এর ওপর আর কথা বলা চলে না। আমি তাকে প্ৰণাম করে বাসায় চলে এলুম। তখনই মেসের দেন পাওনা শোধ করে দিয়ে, বন্ধু দক্ষিণারঞ্জনকে সমস্ত কথা বলে, আমার সামান্য ক’খানি বই আর বিছানা নিয়ে মোহিনীবাবুর বাসায় উপস্থিত হলুম। মহতের আশ্ৰয় পেলুম বটে, কিন্তু এ আশ্রয়ে বেশী দিন থাকতে পারলুম না। মোহিনীবাবু ফরিদপুরের ডেপুটি ম্যাজিষ্ট্রেট। এখন হাকিমেরা কি করেন জানি না, কিন্তু সেকালে হাকিমেরা ১২।১টার আগে কেউ কাছারী যেতেন না । বিশেষতঃ মোহিনীবাবু পরমনিষ্ঠাবান হিন্দু ছিলেন, তঁর পুজা আহ্নিক শেষ হতেই বেলা ১১টা বেজে যেত। তারপর আহারাদি সেরে তিনি কাছারী যেতেন। তঁর বাসায় স্কুলের ছাত্র কেউ ছিল না। তঁর বড় ছেলে শ্ৰীমান। সত্যপ্ৰসন্ন তখন ৫৬ বছরের বালক । সুতরাং মোহিনীবাবুর বাসায় ১০টার মধ্যে আহার করার সুবিধা হ’ত না । আমারও এমন সাহস হ’ত না যে, একটু সকাল সকাল রান্নার জন্যে তাগাদা করি। মোহিনীবাবুর গৃহিণীও সে কথা বুঝতে পারেন নি। কাজেই আহারের জন্যে অপেক্ষা করলে আমার স্কুলে যাওয়া দেৱী DD BBDSS SgD DDKK DDD DLD KBD BBE DBBD BBDBD SDD S ঘটনাক্রমে একদিন মোহিনীবাবু এই কথা জানতে পারলেন । শুনলুম, সেদিন আহার করতে বসে তিনি বামুন ঠাকুরকে আমার ওপর দৃষ্টি রাখতে বললেন। ব্ৰাহ্মণ অসঙ্কোচে বলে ফেললে, “সকাল’ সকাল তো সব দিন রান্না হয়ে ওঠে না, তারি জন্যে স্কুলের ছেলেটিকে অনেক দিন না খেয়েই স্কুলে যেতে হয়।” এই কথা শুনে মোহিনীবাবু আসন ছেড়ে উঠে দাড়ালেন, আর অন্ন স্পর্শ W2)