পাতা:আত্মজীবনী ও স্মৃতি-তর্পন - জলধর সেন.pdf/৮৯

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


আত্মজীবনী ও স্মৃতি-তৰ্পণ yr 00 SDDB DD EDBBSDDBDBD DK BDBB SS ( কেবল নাম রয়েছে, সোনার ভারত) ( *कल्ल १८८छ् ) সোণার খনি নাই। আর এখন ভারত-ভুবন । ৫ । দুভিক্ষ প্রতি বছরে, অন্ন বিনা প্ৰজা মরে, ( মায়ের কাছে বল এই, ভিক্টোরিয়া ) ম্যালেরিয়া মহাজরে নাশে প্ৰজাগণ । ৬ । সহায়হীনা শুকর মণি, পরম সতীরমণী, ( তার কি দশ হল হায় ! ) ( বলতে হৃদয় ফাটে ) হারিয়ে সতীত্বমণি বধিলা জীবন । । আর যত অত্যাচার, সকলি তব গোচর, ( কিবা নিবেদিব হে, তুমি সকল জান ) দেশে গিয়ে গুণাকর, করিবে স্মরণ । ভারতের কপাল মন্দ, অস্ত্রাইনে হস্ত বন্ধ, ( তাদের এ কি দশা হে ) ( মহারাণীর প্রজা হয়ে ) পশুহস্তে প্ৰজাবৃন্দ হারায় জীবন। ১ । রাজরাজেশ্বরী হয়ে, থাকুক মাতা ভিক্টোরিয়া, ( প্রার্থনা করি এই বিভূপদে ) এ অত্যাচার দয়া করে” করুন নিবারণ । ১০ । তিনি তোম্বায় করুন। রক্ষে, স্থলে জলে, অন্তরীক্ষে, (शिनि अकाऊ आश्l८ऊ, 4 5द्रांbंद्रद्ध) কাঙালি ফিকিবের এই ভিক্ষে, কাতর নিবেদন । এই খানে ফিকির চাদ ফকিরের বাউলের দলের একটু বিবরণ দেওয়া আবশ্যক। নিম্নে তাহা উদ্ধৃত করছি ( ১৭-২১ পৃষ্ঠা )। একবার গ্রীষ্মের অবকাশের সময়ে শ্ৰীমান অক্ষয়কুমার মৈত্রেয় ভায়া বাড়ীতে (কুমারখালীতে) আসয়াছেন। তিনি তখন বি-এল পরীক্ষার জন্য প্ৰস্তুত হইতেছিলেন। আমি তখন স্কুল-মাষ্টার । আমারও গ্রীষ্মাবকাশ। আমরা তখন বাড়ীতে আসিয়া কাঙ্গালের বড় সাধের “গ্রামবাৰ্ত্তা প্ৰবেশিকা’ পত্রিকার সম্পাদনা করি, আর অবসর সময়ে আমোদ-আহলাদে কাটাইয়া দিই। এই সময়ে একদিন মধ্যাকুকালে গ্রীষ্মের জালায় অস্থির হইয়া, “গ্রামবাৰ্ত্তা’র