পাতা:আদায়ের ইতিহাস - মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়.pdf/২৫

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ইতিহাস R\9 আরেকটি তাক। এ বাড়ীর গৃহােপকরণে সেই বিসদৃশ বিরোধ নাই, BBBD BDBDB BD BD DBBBD BDB DDDD DDD C码 ত্ৰিষ্টুপের মনে হয়, এ ঘর যারা সাজাইয়াছে তাদের সত্যই বুদ্ধি আছে। অতিরিক্ত ঝকঝকে কিছু তারা চায় নাই বলিয়া একেবারে রঙচটা কিছু তাদের রাখিতে হয় নাই। তিনটি ভাঙ্গা চেয়ারের মধ্যে একটি খুব দামী চেয়ারে তাকে বসানোর গৌরব বাতিল করিয়া দিয়াছে বলিয়া চারটি সাধারণ শক্ত চেয়ারের যে কোন একটিতে তাকে নিশ্চিন্ত মনে বসিতে বলিতে পারিয়াছে। ধীরেন ও রমলা যে রকম আগ্রহের সঙ্গে তাকে অভ্যর্থনা জানাইল, ত্রিছুপের বিশ্বাস করাই কঠিন হইয়া পড়িল যে, তার সবটাই আন্তরিক। তার সঙ্গে এদের পরিচয় শুধু একদিনের। রামলা একবার শুধু তাকে বলিয়াছিল, সে এ বাড়ীতে আসিলে তারা খুসী হইবে। ভদ্রতা করিয়া ও কথা কে না বলে ? ওই আহবানেই কেউ বাড়ীতে আসিলে, ভদ্রতা করিয়া কে না খুনী হয় ? কিন্তু সে আসায় সত্য এদের যেন আনন্দের সীমা নাই। তার এই অনুগ্ৰহে তারা যেন কৃতাৰ্থ হইয়াছে। রামলা বলিল, “আপনি এক দিন আসবেন জানতাম।” “কি করে জানতেন ?” “অনেকে বলে যায়, কিন্তু আসে না। দু’চার মাস পরে দেখা হলে বলে, সময় পাইনি, বডড ব্যস্ত ছিলাম, এবার একদিন নিশ্চয় যাব। আপনি তাদের মত নন। সেদিন কথা বলেই বুঝতে, পেয়েছিলাম।” ছোট মেয়েটিকে কোলে করিয়া রমলা বসিয়াছে, বড় মেয়েটি চেয়ার ঘোঁসিয়া মার পিঠে এক হাত রাখিয়া শান্ত কৌতুহলের দৃষ্টিতে চাহিয়া আছে। রমলার ভাব দেখিলে সত্যই মনে হয়, ত্রিছুপ আজ ঠিক এইসময়ে আসিবে জানিয়া নিশ্চিন্ত মনে তার সঙ্গে কথা বলার