পাতা:আদায়ের ইতিহাস - মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়.pdf/৩৯

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


हैडिशन Vo “মুগ্ধবোধ নকল করছেন নাকি মুগ্ধ হয়ে ?” ত্ৰিষ্টুপ মুখ তুলিয়া একটু হাসে। টেবিলের অপর দিকে তার মুখোমুখি বসে সত্যেন। বয়স ত্ৰিষ্টপের চেয়ে বেশী নয়-অভিজ্ঞতা বেশী। বছর তিনেক কাজ করিতেছে। একমাথা কেঁকড়া চুলে তার সাধারণ চেহারাটিকে একটু-অসাধারণ করিয়া তুলিয়াছে। কিন্তু ত্ৰিষ্টুপের মনে হয়—তার চুলগুলি হঠাৎ ওরকম অসাধারণ হইয়া গেলে লজ্জায় সে কারও কাছে মুখ দেখাইতে পরিবে না। ‘হু হু বাবা, মোহমুদগরের গুতো তো লাগেনি, টের পাবেন!” ডান পাশে বসে নিকুঞ্জ। বেঁটে, মোটা, মাঝবয়সী, ধীর স্থির মানুষ, ছোট ছোট চোখ দুটি কেবল সর্বদা পিট পিট করে। সে নাকি নূতন বিবাহ করিয়াছে, দ্বিতীয়বার। আধময়লা জামাকাপড় পরিয়াই কিন্তু সে আপিসে আসে, কেবল তেলে ভেজা চুলে সযত্নে টেরি-কাটা BBD DBDBDBBD DBD SBDB gBBBDBD DDB D DBDDB DDB BD বাহার নাই। মাথার সুগন্ধি তেলের গন্ধটা সর্বদাই ত্ৰিষ্টুপের নাকে লাগে । “অত স্পীডে কাজ করবেন না মশায়, মারা যাবেন শেষে।। যত শীগগির শেষ করে দেবেন, তত কাজ ঘাড়ে চাপাবে। এক দম থই পাবেন না।” টাইপিস্ট ধীরেন। একটি ফুলস্ক্যাপ শীটে কয়েক লাইন টাইপ করিয়া টাইপরাইটার যন্ত্রের চাবীগুলিতে হাত রাখিয়া চুপ করিয়া বসিয়া আছে। মাঝে মাঝে চাবীগুলিতে বিদ্যুৎবেগে তার আঙ্গুলের সঞ্চালন ত্ৰিষ্টুপ বিস্মিত দৃষ্টিতে চাহিয়া দেখিয়াছে। কিন্তু ধীরেন BBDBDDD DDDBDB BDDBB BBS DDDD DDSDB DB DDD DDSDY মিনিট বসিয়া থাকে, গল্প করে আর ইয়াকি দেয়। মাঝে মাঝে দশ বিশ মিনিট দ্রুত একটানা টাইপ করিয়া হাতের কাজ শেষ করিয়া, কাগজগুলি ঘণ্টাখানেক ফেলিয়া রাখে, তারপর ধীরে সুন্থে কর্তাদের কাছে পাঠাইয়া দেয়। মন্থর গতিতে সে টাইপ করিতে