পাতা:আদায়ের ইতিহাস - মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়.pdf/৪৭

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ইতিহাস 8. চাপ, ঠিক কি ধরণের সেই অভাব এবং তার কারণ কি, এসব সে ধারণা করিয়া উঠিতে পারে না। ত্রিষ্টপ ভাবে, অবসর মত দু’চারখানা বই পড়িতে হইবে এ বিষয়ে। মণীশ বলিল, “এমন দিশেহারা হলে কিছু হয় না, তিষ্ট।” “দিশেহারা ? SuH DD D DK DDBDS DBB BB DD BBD DBBS BB দিন ভাবিছ জ্ঞান সঞ্চয় করা বিশেষ প্ৰয়োজন, আবার সখ চাপছে সমাজের দোষ ক্ৰটি সংশোধন করবে, দেশকে স্বাধীন করবে। একটা মানুষ যদি ব্যবসায়ী, বিদ্বান, সংস্কারক, রাজনৈতিক সব কিছু হতে চায়, তার কিছুই হয় না।” ‘eद्रकभ दहलछि नांकि ? “একদিন এক কথায় বলনি, নানান দিনের নানা কথাবার্তায় বলেছি।” ত্ৰিষ্টুপ মৃদু হাসিয়া বলিল, “ও কিছু নয়। এ কথা সে কথা মনে হয়েছে বলেছি। কাজের বেলায় যা” ধরব তাই করব , “কি ধরবে ? করবে কি করবে না, পারবে কি পারবে না, সে কথা এখন বাদ দিলাম। কি ধরবে ঠিক করেছ, তাই শুনি আগে ? মণীশের কথায় মৃদু ব্যঙ্গের সুর ত্ৰিষ্টপের কাছে ধরা পড়িল। আগেও মণীশ এই সুরে কথা বলিত, সে ভাবিত এটা তার স্নেহাত্রার্থ প্ৰশ্ৰয় দেওয়ার ভঙ্গী। সে ছেলেমানুষ বলিয়া মণীশ এভাবে তার সঙ্গে কথা হয়। আজ তার মনে হইল, মণীশ এই ভাবে তার কাছ হইতে শ্রেষ্ঠত্বের সমর্থন প্রার্থনা করে। আপিসে তার উপরওয়ালা নিরীহ অসহায় ও একান্ত অনুগত তাকে পিঠ চাপড়াইয়া যে ভাবে মিষ্টি সুরে কথা বলেন, তার সঙ্গে মণীশের কথা বলার বিশেষ পার্থক্য নাই। :