প্রধান মেনু খুলুন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


অনাদিশপুর [ं कूर्खेौ अह । শক্তি । ও-ষাক, রাজকুমারী ! আমি তোমার এ অযাচিত শুশ্ৰদ্ধযায়। পরম তৃপ্তি-তার জন্য তোমায়। ধন্যবাদ দিই; এখন আমায় বিদায় দাও। লক্ষ্মী। সে কি ! আপনি যে এখনও সম্পূর্ণ সুস্থ হ’তে পারেন নাই। শক্তি। সম্পূর্ণ সুস্থ হবে। কবে জান রাজকুমারী ? যবে এ দেহের পতন হবে। উপরের ঘা মিলিয়ে দিয়েছ বটে, কিন্তু ভিতরের ঘা যে দগদগ করছে লক্ষ্মী ! লক্ষ্মী। তার ওষুধ বুঝি আমার কাছে নাই। শক্তি। দরকারও নাই। আমি এই দাগ নিয়েই চন্দ্রের মত হাসবো --মেঘের ভিতর বিদ্যুতের মত এই ক্ষত নিয়েই আমি জীবনভোর গর্জন করবো-আমার বুক বেয়ে অশ্র-নদী প্রবাহিত হ’লেও আমি পৰ্ব্বতের মত স্থির থাকবো । লক্ষ্মী। সে বিষয়ে আমিও তোমার অনুসরণ করবো স্বামী ! আমিও এই অবহেলার জাহাজ বুকে নিয়ে তটিনীর মত অবিরাম স্রোতে একটানা বইবো-আমিও এই নৈরাখের স্তুপীকৃত অন্ধকার ভেদ ক’রে উল্কার মত ছুটি বো-আমিও এই প্ৰাণহীন দেহখানা নিয়ে সঙ্গীতের মত আহলাদে নারীজন্ম কাটাবো। কিসের ভয় দেখাও স্বামী ? এ জাতিটা ব্ৰহ্মচর্য্যের शांौिड हैडी। শক্তি। তাই কাটাও নারী ! বুকভরা গৰ্ব্ব নিয়ে বিশ্বপটে আশ্চর্যের মত ফুটে থাক ; আমি তোমার স্বপ্ন ভাঙ্গতে চাই না,-আমায় বিদায় দাও। লক্ষ্মী। দু-দণ্ড দাড়াতেও কি আপত্তি আছে ? শক্তি । দাড়াবো কোথায় নায়ী ? তোমার নিশ্বাস যে সংক্রামক রোগের বীজ। তোমার চাউনি প্ৰাণঘাতী চলাহল! তুমি যেখায়, আমার অনুমান সে একটা নৱককুণ্ড ! * ( > ste